Cancer Symptoms: পেটের গভীরে জমে থাকা মেদকে ভিসেরাল ফ্যাট বলা হয়। সাধারণ ভুঁড়ি ভেবে একে এড়িয়ে গেলে চলবে না, কারণ এটি একাধিক গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে।
পেটের মেদকে অবহেলা করছেন? এই সব ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে
পেটের ভেতরে জমে থাকা এই ফ্যাটকে ভিসেরাল ফ্যাট বলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
28
খাদ্যনালী, জরায়ু এবং মেনোপজের পর স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি
পেটের মেদ সরাসরি ক্যান্সারের কারণ না হলেও, এটি শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন আনে যা অস্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি ঘটায়। লিভার, অগ্ন্যাশয় ও অন্ত্রের চারপাশে জমে থাকা এই ফ্যাট কোলোরেক্টাল, লিভার, অগ্ন্যাশয়, কিডনি, খাদ্যনালী, জরায়ু, প্রোস্টেট এবং মেনোপজের পর স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
38
অতিরিক্ত ওজন ১৩ ধরনের ক্যান্সারের সঙ্গে যুক্ত
ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (IARC) জানাচ্ছে, অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা প্রায় ১৩ ধরনের ক্যান্সারের সঙ্গে যুক্ত। বিশ্বজুড়ে ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ এটি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানাচ্ছে, ধূমপান ও মদ্যপানের মতোই অতিরিক্ত ওজন এবং স্থূলতা ক্যান্সারের বড় ঝুঁকি। এই ভিসেরাল ফ্যাট ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ফ্যাটি লিভার এবং অস্বাভাবিক কোলেস্টেরলের মতো সমস্যার সঙ্গেও জড়িত।
58
সাধারণ শরীরর ওজন হলেও অতিরিক্ত ভিসেরাল ফ্যাট হতে পারে
যাদের ওজন স্বাভাবিক, তাদেরও পেটে অতিরিক্ত ভিসেরাল ফ্যাট জমতে পারে। বিশেষ করে যারা শরীরচর্চা করেন না বা যাদের খাদ্যাভ্যাস খারাপ, তাদের এই ঝুঁকি বেশি। কোমরের মাপ বেড়ে যাওয়া, পেটের চারপাশে মেদ, ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার বা পরিবারে ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে সতর্ক হন।
68
দ্রুত নয়, স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমান
সামান্য ওজন কমালেও শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ে এবং প্রদাহ কমে। তাই তাড়াহুড়ো করে নয়, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওজন কমানো উচিত।
78
ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে
নিয়মিত অ্যারোবিক ব্যায়াম, সুষম খাবার (শাকসবজি, ফল, শস্য, ডাল, প্রোটিন) খাওয়া জরুরি। প্রসেসড ফুড, মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলুন। পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও খুব দরকার। ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
88
প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে চিকিৎসা অনেক বেশি কার্যকর হয়
যাদের স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা পরিবারে ক্যান্সারের ইতিহাস আছে, তাদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে চিকিৎসা অনেক বেশি কার্যকর হয়।