High Blood Pressure: উচ্চ রক্তচাপ এখন অনেকেরই সমস্যা। এটি একটি লাইফস্টাইল ডিজিজ। অনেক সময় এর তেমন কোনও লক্ষণ দেখা যায় না, তাই রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়। কিন্তু এটি অবহেলা করলে চলবে না।
অনেকেই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। এটি একটি লাইফস্টাইল ডিজিজ। অনেক সময় এর তেমন কোনও লক্ষণ দেখা যায় না, তাই রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়। কিন্তু সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে এটি হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
27
উচ্চ রক্তচাপ কিডনির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন মানে হল, ধমনীতে রক্তচাপ সব সময় বেশি থাকা। এই অবস্থা কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে। কিডনির মধ্যে থাকা সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলো বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার করে। কিন্তু ক্রমাগত উচ্চ রক্তচাপের কারণে এই রক্তনালীগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী কিডনির রোগ বা কিডনি ফেলিওর (kidney failure) হতে পারে।
37
জীবনযাত্রায় তিনটি সহজ পরিবর্তন রক্তচাপ কমাতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ নীরবে এবং ধীরে ধীরে রক্তনালীগুলোর ক্ষতি করে। ক্রমাগত চাপের ফলে ধমনীর দেওয়াল শক্ত হয়ে যায় এবং তাদের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায়। এর ফলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিতে রক্তচলাচল ব্যাহত হতে পারে। কার্ডিওভাসকুলার সার্জন ডঃ জেরেমি লন্ডন রক্তচাপ কমাতে এবং হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে তিনটি সহজ লাইফস্টাইল পরিবর্তনের কথা বলেছেন।
বিপি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবার আগে হার্টের জন্য উপকারী খাবারের দিকে নজর দিন। ফল, শাকসবজি এবং কম ফ্যাটযুক্ত মাংস খান। অন্যদিকে, বেশি সোডিয়ামযুক্ত এবং প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই সুষম ও কম প্রসেসড খাবার খাওয়া জরুরি।
57
নিয়মিত ব্যায়াম হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো।
নিয়মিত ব্যায়াম করলে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। ব্যায়াম হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং প্রতিটি স্পন্দনে হার্ট আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে। নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে হার্ট শক্তিশালী হয়, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। কারণ তখন কম পরিশ্রমে হার্ট রক্ত পাম্প করতে পারে, ফলে ধমনীর উপর চাপ কমে।
67
ওজন নিয়ন্ত্রণ করা জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওজন কমালে হার্টের উপর কাজের চাপ কমে যায়। ফলে কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে। অতিরিক্ত ওজন থাকলে, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওজন কমালে হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত হয়।
77
ওজন কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হল ব্যায়াম।
স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি ব্যায়াম করলে ওজন সবচেয়ে কার্যকরভাবে কমে। ব্যায়াম ক্যালোরি পোড়াতে এবং পেশীশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ থেকে ৩০০ মিনিট মাঝারি তীব্রতার ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।