ওটস খেলে কোলেস্টেরল কমে এবং হার্ট ভালো থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে বিটা-গ্লুকান নামের দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে, যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী।
27
ওটস এলডিএল বা 'খারাপ' কোলেস্টেরল কমায়
ওটস আমাদের শরীরের এলডিএল বা 'খারাপ' কোলেস্টেরল কমায়। এতে অ্যাভেনানথ্রামাইডস নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালীগুলোকে আরাম দেয়।
37
ওটস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে
ওটস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর দ্রবণীয় ফাইবার কার্বোহাইড্রেট হজম ও শোষণের গতি কমিয়ে দেয়। টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ওটস একটি দারুণ খাবার।
47
বিটা-গ্লুকান অন্ত্রে জেলের মতো একটি আস্তরণ তৈরি করে
বিটা-গ্লুকান অন্ত্রে জেলের মতো একটি আস্তরণ তৈরি করে। এর ফলে পেট ভরা থাকে এবং পেপটাইড ওয়াইওয়াই (peptide YY)-এর মতো ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলো ঠিকমতো কাজ করে।
57
বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমায় ওটস
ওটসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। তাই এটি খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং বারবার উল্টোপাল্টা খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।
67
হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
ওটস হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ওটসে থাকা ফাইবার মল নরম করে এবং পেট পরিষ্কার রাখতে দারুণ সাহায্য করে।
77
ওটসের সঙ্গে আপেল, বেরি বা ন্যাশপাতির মতো ফল এবং বাদাম মেশাতে পারেন
ওটসের সঙ্গে আপেল, বেরি বা ন্যাশপাতির মতো ফল এবং বাদাম বা বীজ মেশাতে পারেন। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট ভালো রাখে। ওটসে চিনি, মধু, ক্রিম বা মাখন মেশানো এড়িয়ে চলুন। এর বদলে ফলের স্বাভাবিক মিষ্টি স্বাদ উপভোগ করুন।