স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকেরেলের মতো মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ভরপুর থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের হার্টের রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে, তাই এই ফ্যাট খুব জরুরি।
28
শাকসবজি
পালং শাকের মতো সবুজ শাকসবজিতে ক্যালোরি আর কার্বোহাইড্রেট খুব কম। তাই এগুলো রক্তে গ্লুকোজের মাত্রায় খারাপ প্রভাব ফেলে না। এতে থাকা ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
38
অ্যাভোকাডো
অ্যাভোকাডো রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। এতে ১ গ্রামেরও কম চিনি, প্রচুর ফাইবার আর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার।
48
ডিম
নিয়মিত ডিম খেলে শরীরের প্রদাহ কমে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে। ডিম শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতেও সাহায্য করে।
58
চিয়া সিড
চিয়া সিডে কার্বোহাইড্রেট থাকলেও এর বেশিরভাগটাই ফাইবার। এই ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না, বরং নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
68
ডাল ও বিনস
বিনস ও বিভিন্ন ধরনের ডালে বি-ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার ভরপুর থাকে। এগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।
78
গ্রিক ইয়োগার্ট
গ্রিক ইয়োগার্ট ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন টক দই খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের আশঙ্কা কমে। সাধারণ দইয়ের চেয়ে গ্রিক ইয়োগার্টে প্রোটিন বেশি ও কার্বোহাইড্রেট কম থাকে।
88
বাদাম
নিয়মিত বাদাম খেলে শরীরের প্রদাহ কমে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে অল্প পরিমাণে বাদাম রাখতে পারেন।