
Safety Pin: সেফটি পিনের নিচের অংশ গোলাকার হয় কারণ এটি একটি স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে। যা পিনটিকে বন্ধ অবস্থায় দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং পিনের সূঁচালো প্রান্তটি যাতে খুলে গিয়ে আঘাত না লাগে, তা নিশ্চিত করে। এই গোলাকার অংশটি ধাতু বাঁকিয়ে তৈরি করা হয় যা পিনের মূল অংশকে দৃঢ়তা দেয় এবং এটিকে একটি অবিচ্ছেদ্য এবং কার্যকর নিরাপত্তা যন্ত্রে পরিণত করে। আধুনিক সেফটি পিন তৈরি করেছিলেন আমেরিকার যন্ত্রপ্রকৌশলী ওয়াল্টার হান্ট। ১৮৪৯ সালে তাঁর তৈরি করা সেফটিপিনে এমন একটি কীলক (উপরের লুপ) ছিল, যা সুচালো মাথা ঢেকে রাখত এবং পিন খুলে যাওয়ার ঝুঁকি কমাত। হান্টের নকশা করা সেফটি পিনের নীচের দিকে বাঁকানো অংশে ছিল একটি লুপ, যা স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে পিনটিকে জায়গায় ধরে রাখে। ব্যবহারিক দিক থেকেও সেফটি পিনের নীচের ছিদ্রটির ভূমিকা রয়েছে। সেফটি পিন দিয়ে কিছু আটকানোর সময়ে সেই চাপ আসলে ক্লিপের উপরে গিয়েই পড়ে। গোল ছিদ্রটিই সেই চাপকে ছড়িয়ে দেয় চারপাশে। তার ফলে অতিরিক্ত চাপ পড়লেও পিনটি বেঁকে যায় না। স্রষ্টা ওয়াল্টার ঠিক এই ভাবেই সেফটি পিন তৈরি করেছিলেন। তার পর এতগুলি বছর কেটে গেলেও এই যন্ত্রটির নকশা বদলানোর কখনও প্রয়োজন পড়েনি।
সংক্ষেপে, সেফটি পিনের নিচের গোলাকার অংশটি কেবল একটি নকশার ত্রুটি নয়, বরং এটি পিনটিকে নিরাপদ এবং কার্যকর রাখার জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ, যা এটিকে একটি সাধারণ তারের টুকরা থেকে একটি কার্যকরী নিরাপত্তা ও সহায়ক যন্ত্রে পরিণত করে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।