Bathroom Escapism: বাথরুমই এখন জেন জি-র পালানোর জায়গা! কেন এই নতুন ট্রেন্ড জনপ্রিয় হচ্ছে?

Published : Mar 02, 2026, 01:14 PM IST
Bathroom Escapism: বাথরুমই এখন জেন জি-র পালানোর জায়গা! কেন এই নতুন ট্রেন্ড জনপ্রিয় হচ্ছে?

সংক্ষিপ্ত

বাড়ির কোলাহল, কাজের চাপ আর ফোনের নোটিফিকেশন থেকে দূরে একটা শান্ত, নিরিবিলি জায়গা খুঁজছেন? আজকের তরুণ প্রজন্ম, অর্থাৎ জেন জি, সেই শান্তির ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে বাথরুমের চার দেওয়ালের মধ্যে। এটাই এখন নতুন লাইফস্টাইল ট্রেন্ড, যার নাম ‘বাথরুম এস্কেপিজম’।

বাড়ির মধ্যে এমন একটা জায়গা, যেখানে কেউ বিরক্ত করবে না, কাজের চাপ বা সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশনের ভিড় থাকবে না—আজকের তরুণ প্রজন্ম ঠিক এটাই খুঁজছে। আর এই খোঁজ থেকেই জন্ম নিয়েছে এক নতুন লাইফস্টাইল ট্রেন্ড, 'বাথরুম এস্কেপিজম'। এটা শুধু স্নানের জায়গা নয়, বরং মনকে রিচার্জ করার আর শান্তি খুঁজে পাওয়ার একটা গোপন আস্তানা হয়ে উঠছে। জেন জি-র কাছে বাথরুম এখন আর শুধু প্রয়োজনে ব্যবহারের জায়গা নয়, এটা তাদের মানসিক শান্তির জন্য একটা 'মেন্টাল রিট্রিট' স্পেস।

কী এই 'বাথরুম এস্কেপিজম'?

ডিজিটাল দুনিয়ার লাগাতার চাপ এবং শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে বাথরুমকে একটা নিরাপদ আশ্রয় বা 'সেফ স্পেস' হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতাই হল বাথরুম এস্কেপিজম। রিপোর্ট বলছে, এখানে পাওয়া শান্ত পরিবেশ افرادকে আরও তরতাজা হয়ে কাজ ও পরিবারে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে।

বাথরুম কেন 'সেফ স্পেস' হয়ে উঠছে?

তরুণ প্রজন্ম কেন বাথরুমকে নিজেদের পছন্দের জায়গা হিসেবে বেছে নিচ্ছে, তার পেছনে মূলত পাঁচটি কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. প্রাইভেসি এখন লাক্সারি

শহরের ছোট ছোট ফ্ল্যাট বা বাড়িতে থাকার ফলে পুরোপুরি নিজের মতো করে সময় কাটানোর একমাত্র জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাথরুম। এখানে কেউ দরজায় ধাক্কা দেয় না বা অহেতুক প্রশ্ন করে বিরক্ত করে না। এই ব্যক্তিগত পরিসর তরুণদের মানসিক آرام দেয়।

২. শাওয়ার মানেই 'মেন্টাল রিসেট'

জেন জি-র কাছে স্নান করাটা শুধু শরীর পরিষ্কার করার রুটিন নয়, এটা তাদের কাছে একটা রোজকার 'মেন্টাল রিসেট' প্রক্রিয়া। ঝর্ণার জলের শব্দ বাইরের ট্র্যাফিকের আওয়াজ বা ফোনের নোটিফিকেশন ভুলিয়ে দেয়। জলের চাপ এবং স্প্রে প্যাটার্ন মানসিক স্বচ্ছতা আনতে সাহায্য করে।

৩. ব্যবহারের ঊর্ধ্বে এক নতুন অভিজ্ঞতা

আগে বাথরুমকে বাড়ির একটা কম গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করা হত। কিন্তু এখন অত্যাধুনিক লাইটিং, সাউন্ড কন্ট্রোল এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়াটার ফ্লো সিস্টেমের মাধ্যমে বাথরুমকে একটা দারুণ অভিজ্ঞতার জায়গায় পরিণত করা হচ্ছে। এটি ব্যবহারকারীকে এক 'ইমার্সিভ' বা নিমগ্ন হওয়ার অনুভূতি দেয়।

৪. সুস্থতাকে অগ্রাধিকার

জেন জি এবং মিলেনিয়ালরা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খুব জোর দেয়। তাই তারা বাথরুমে এমন ডিজাইন চায় যা মানসিক চাপ কমায় এবং শান্ত পরিবেশ তৈরি করে। এটা তাদের কাছে এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং একটা প্রয়োজনীয়তা।

৫. পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্ব

নতুন প্রজন্ম পরিবেশ নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। তাই তারা জল সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব বাথরুম ডিজাইন বেছে নিচ্ছে। তারা চায়, সুবিধার পাশাপাশি প্রকৃতির যত্নও নেওয়া হোক।

বদলে যাচ্ছে ডিজাইনের ভাবনা

আধুনিক বাথরুম তৈরির সময় ডিজাইনাররা এখন শুধু জলের প্রযুক্তি নয়, বরং শব্দ, আলো এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা—সব মিলিয়ে একটা সম্পূর্ণ প্যাকেজ তৈরি করার দিকে নজর দিচ্ছেন। ডিজিটাল দুনিয়ার কোলাহল থেকে বাঁচতে চাওয়া প্রজন্মের কাছে এই 'বাথরুম এস্কেপিজম' এক নতুন শক্তির উৎস হয়ে উঠছে।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Reparenting: বাবা-মাকে নতুন করে ভালোবাসার পাঠ, চিনে ঝড় তুলেছে এই নতুন ট্রেন্ড
Brain Food for Kids: শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এই ৭টি খাবার