রোজ ৮ ঘণ্টা করে ঘুমানোর পরেও সকালে উঠে কি আপনার ক্লান্ত লাগে? শরীর ম্যাজম্যাজ করে? এর পিছনে কিন্তু কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। আসুন, জেনে নেওয়া যাক সেই জরুরি বিষয়গুলি।
শরীরকে চাঙ্গা করতে গভীর, নিরবচ্ছিন্ন ঘুম দরকার। রাতে বারবার ঘুম ভাঙলে মস্তিষ্ক আর শরীর প্রয়োজনীয় 'ডিপ স্লিপ' পায় না, তাই ক্লান্তিও কাটে না।
26
স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো অসুস্থতা
অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া এমন একটি অবস্থা, যেখানে ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস আচমকা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ঘুম ভেঙে যায়। এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো প্রচণ্ড নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসা এবং দিনের বেলায় খুব ঘুম পাওয়া।
36
মানসিক চাপ, অবসাদ
বিছানায় শুলেই তো আর মাথার ভেতরের চিন্তা বন্ধ হয়ে যায় না! দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ বা উদ্বেগ শরীরকে সবসময় সতর্ক করে রাখে। এর ফলে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়।
46
রাতে স্ক্রিনের ব্যবহার
ঘুমানোর ঠিক আগে ফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ ব্যবহার করলে ঘুম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই সব স্ক্রিন থেকে বের হওয়া নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন উৎপাদনে বাধা দেয়।
56
ক্যাফিন, অ্যালকোহল, ধূমপান
রাতে কফি বা অ্যালকোহল পান করলে ঘুম ব্যাহত হয়। ক্যাফিন ঘুম আসতে দেরি করায়, আর অ্যালকোহল শুরুতে ঘুম এনে দিলেও রাতের দ্বিতীয়ার্ধে ঘুম ভাঙিয়ে দেয় এবং গভীর ঘুমে বাধা দেয়।
66
অনিয়মিত জীবনযাত্রা
প্রতিদিন আলাদা আলাদা সময়ে ঘুমানো, ব্যায়াম না করা, ভুল খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের জন্য অনুপযুক্ত ঘরের পরিবেশ—এই সবকিছুই ঘুমের মান কমিয়ে দিতে পারে।