
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো মানেই ঘর জুড়ে সাদা আলপনা। কিন্তু গত বছরের বা দুর্গাপুজোর সময় আঁকা আলপনার দাগ এখনও মেঝেতে লেগে আছে? চালের গুঁড়ো, খড়িমাটি বা সিন্থেটিক রঙের আলপনা শুকিয়ে গেলে এমনভাবে বসে যায় যে জল ঢাললেও ওঠে না। আর জোর করে খুঁটতে গেলে মার্বেল বা টাইলসের দাগ পড়ে যায়।
চিন্তা নেই, নতুন আলপনা আঁকার আগে পুরনোটা তোলার জন্য রইল ৫টি সহজ টোটকা:
যদি আলপনা চালের গুঁড়ো বা খড়িমাটি দিয়ে আঁকা হয়, তবে এটাই সবচেয়ে ভালো উপায়। এক বালতি বেশ গরম জলে ২ চামচ লবণ ও সামান্য ডিশওয়াশ লিকুইড মিশিয়ে নিন। ওই জল আলপনার উপর ঢেলে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। চালের গুঁড়ো নরম হয়ে যাবে। এবার স্ক্রাবার বা পুরনো কাপড় দিয়ে ঘষলেই উঠে যাবে।
সিন্থেটিক রং বা ফেব্রিক কালারের আলপনা সহজে ওঠে না। আলপনার উপর বেকিং সোডা ছড়িয়ে তার উপর সাদা ভিনিগার স্প্রে করুন। ফেনা উঠবে। ১০ মিনিট রেখে দিয়ে পুরনো টুথব্রাশ দিয়ে ঘষুন। দাগ একেবারে উঠে যাবে, মেঝেও চকচকে হবে।
মার্বেল বা সাদা টাইলসে আলপনা তুলতে গিয়ে অনেক সময় সাদা ছোপ থেকে যায়। এক টুকরো কাপড়ে সামান্য সরষের তেল নিয়ে দাগের উপর ৫ মিনিট ঘষুন। তেল রঙকে আলগা করে দেয়। তারপর সাবান জল দিয়ে মুছে নিন।
অনেকে ব্লেড, ছুরি বা খুন্তি দিয়ে আলপনা চাঁচতে যান। এতে মেঝেতে স্থায়ী স্ক্র্যাচ পড়ে যায়। তার বদলে প্লাস্টিকের স্কেল বা পুরনো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করুন। ধারালো কিছু ব্যবহার করবেন না।
পুরনো আলপনা তোলার পর মেঝে ভালো করে শুকিয়ে নিন। একটু ভিজে থাকলে নতুন আলপনা ভালো বসবে না। মেঝে শুকনো হলে প্রথমে চক দিয়ে হালকা আউটলাইন করে তারপর চালের গুঁড়োর মিশ্রণ বা আলপনা রং দিয়ে আঁকুন। এতে আলপনা বেশি উজ্জ্বল হবে।
*টিপস:* এবার থেকে আলপনার সঙ্গে সামান্য ফেবিকল বা আঠা মিশিয়ে আঁকলে আলপনা বেশি দিন থাকবে, আবার তোলার সময় গরম জলে সহজেই উঠেও যাবে।