ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিততেই হবে, এটিই টিম ইন্ডিয়ার প্রধান লক্ষ্য। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থাকলেও সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পরাজিত হয়েছে ভারত। ফলে, সেমিফাইনালের রাস্তা বেশ কঠিন। সুপার এইটের গ্রুপ ১-এ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা একটি করে ম্যাচ জিতে শীর্ষে আছে আপাতত। ভারত এবং জিম্বাবোয়ে একটি করে ম্যাচ হেরে শেষদিকে। এবার ২৬ ফেব্রুয়ারি, ভারত-জিম্বাবোয়ে ম্যাচ। হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায়। জিতলেও সেমির জন্য নেট রান রেট বাড়াতে হবে। তাই জিম্বাবোয়েকে বিশাল ব্যবধানে হারানোর প্ল্যান নিয়েই নামতে হবে ভারতকে। আর এই পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন ওপেনার অভিষেক শর্মা।
25
অভিষেকের উপরেই ভারতের সব আশা?
নেট রান রেটই এখন আসল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের +5.350 এবং দক্ষিণ আফ্রিকার +3.800 রান রেট। তাই সেমিতে যেতে হলে ভারতকে শুধু জিতলেই হবে না, জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে বিশাল জয় পেতে হবে। সেইজন্য অভিষেক শর্মার মতো হিটার দলে থাকা ভীষণ জরুরি। নিজের খেলার দিনে অভিষেক একাই ম্যাচ জেতাতে পারেন। গত ক্যালেন্ডার বছরে তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের মধ্যে ছিলেন। কিন্তু এই বিশ্বকাপে তাঁর ফর্ম একেবারেই ভালো নয়। পরপর তিন ম্যাচে শূন্যের গেড়োও আছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও রান পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁকে বাদ দেওয়ার কথা ভাবছে না দল।
35
তিলককেই হয়ত দলের বাইরে যেতে হতে পারে
অভিষেক শর্মা লাগাতার ব্যর্থ হলেও তিনি একজন বড় হিটার। তাই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তাঁকে খেলানোটা জরুরি। কিন্তু দলে সঞ্জু স্যামসনকে জায়গা দিতে হলে কাউকে তো বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোপ পড়তে পারে তিলক ভার্মার উপর। অভিষেক শর্মার মতো চূড়ান্ত ব্যর্থ না হলেও এবং মোটামুটি রান করলেও, তিলককেই হয়ত দলের বাইরে যেতে হতে পারে।
সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। দলের ফিনিশার রিঙ্কু সিং এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না। ব্যক্তিগত কারণে তিনি দলের বাইরে। রিঙ্কুর বাবা খানচাঁদ ক্যানসারে আক্রান্ত এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভেন্টিলেটরে রয়েছেন। বাবার পাশে থাকতেই বাড়ি ফিরেছেন রিঙ্কু। তাঁর জায়গায় দলে অক্ষর প্যাটেলকে খেলানো হতে পারে।
55
জিম্বাবোয়ের জন্যও মরণ-বাঁচন ম্যাচ?...
বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি শুধু ভারতের জন্য নয়, জিম্বাবোয়ের জন্যও 'ডু অর ডাই'। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে তারা অপ্রত্যাশিতভাবে সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হেরে তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা অনেকটাই কমে গেছে। ভারতের কাছে হারলে বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যাবে জিম্বাবোয়ে। তাই এই ম্যাচ জিততে তারাও মরিয়া হয়ে মাঠে নামবে।