আইপিএলের ইতিহাসে দুই দল মোট ২৬ বার মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ ১৩টি ম্যাচে জয় পেয়েছে এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু জিতেছে ১১টি ম্যাচ। দুটি ম্যাচের কোনও নিস্পত্তি হয়নি। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে সানরাইজার্স সামান্য এগিয়ে থাকলেও, আরসিবি-র সাম্প্রতিক ফর্ম ম্যাচটিকে আকর্ষণীয় করে তুলবে বলেই মনে করছেন অনেকে।
26
বিরাট কোহলি
আরসিবি-র ব্যাটিংয়ের মূল স্তম্ভ বিরাট কোহলি। হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে তাঁর রেকর্ড এমনিতেই ঈর্ষণীয়। ২৪টি ইনিংসে তিনি ১৪১ স্ট্রাইক রেট রেখে ৮০৫ রান করেছেন। যার মধ্যে আবার একটি সেঞ্চুরি ও পাঁচটি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে। ক্রিজে থিতু হয়ে গেলে তিনি একাই ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন।
36
ফিল সল্ট ১৩টি ম্যাচে, ৪০৩ রান
গত আইপিএলে ফিল সল্ট ১৩টি ম্যাচে, ৪০৩ রান করে সাড়া ফেলে দেন। স্ট্রাইক রেট ১৭৫। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই ওপেনার পাওয়ারপ্লে-তে দ্রুত রান তুলে হায়দ্রাবাদের বোলারদের চাপে ফেলে দিতে পারেন। শুরুতেই তাঁকে ফেরাতে না পারলে বড় বিপদ হতে পারে।
গতবার আরসিবি-র চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পিছনে ক্রুণাল পান্ডিয়ার বড় ভূমিকা ছিল। ব্যাট এবং বল হাতে সমান পারদর্শী এই অলরাউন্ডার হায়দ্রাবাদের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারেন। তাঁর স্পিন বোলিং এবং ডেথ ওভারে ঝোড়ো ব্যাটিং ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে যখন তখন।
56
স্যুইং বোলিং
একটা সময় হায়দ্রাবাদের প্রধান বোলার ছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। এখন তিনি আরসিবি-র জার্সিতে। হায়দ্রাবাদের শক্তি ও দুর্বলতা একেবারে তাঁর নখদর্পণে। পাওয়ারপ্লে-তে তাঁর স্যুইং বোলিং অভিষেক শর্মা ও ট্র্যাভিস হেডের মতো ব্যাটারদের দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরাতে পারে।
66
প্রতিপক্ষকে ভাঙতে পারেন
আইপিএল ২০২৫-এ আরসিবি-র 'সাইলেন্ট ম্যাচ উইনার' ছিলেন সুযশ শর্মা। মাঝের ওভারে রান আটকে এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি প্রতিপক্ষকে ভাঙতে পারেন। গতবারের ফর্ম ধরে রাখলে হায়দ্রাবাদের ব্যাটসম্যানদের জন্য তিনি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবেন।