
Vinod Kambli News: ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটার বিনোদ কাম্বলি। মহারাষ্ট্রের থানেতে বয়স্ক ব্যক্তিদের এক চিকিৎসা কেন্দ্রে আছেন ৫৪ বছর বয়সি এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। সম্প্রতি তাঁর এক ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি কথা বলতে না পারলেও, অনুরাগীদের আশ্বস্ত করেছেন তিনি। পাশাপাশি চিকিৎসাকেন্দ্রের পরিষেবা ও কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এই প্রাক্তন ব্যাটার। থানেতে নিদান সেন্টার ফর এল্ডারলি কেয়ারে আছেন কাম্বলি। তিনি এই কেন্দ্রের চিকিৎসা ও পরিচর্যা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসক ও সহায়ক কর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। তিনি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, 'আমি এখন চিকিৎসাধীন। এখানকার পরিষেবা অত্যন্ত ভালো। এখানে থাকলেও কখনও মনে হয় না যে আমি বাড়ির বাইরে আছি। এখানকার মানুষজনের কাছ থেকে আমি প্রচুর ভালোবাসা ও সম্মান পাচ্ছি।'
দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক সমস্যায় ভুগছেন কাম্বলি। ২০২৪ সালের অগাস্টে তাঁর এক ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, এই প্রাক্তন ক্রিকেটার ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। ২০১৩ সালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন কাম্বলি। পরে ধমনিতে ব্লকেজ থাকার জন্য তাঁকে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিও করাতে হয়। ২০২৪ সালের শেষদিকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। প্রস্রাবে সংক্রমণ, পেশিতে টান, মাথা ঘোরা ও জ্বর নিয়ে থানের এক হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানে শারীরিক পরীক্ষায় সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া-সহ ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা ধরা পড়ে। এর জেরে পেশিতে টান ধরে এবং চলাফেরায় সমস্যা তৈরি হয়। তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার কথাও জানা যায়। প্রায় দু’সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ছাড়া পান কাম্বলি। হাসপাতাল থেকে বেরনোর সময় সাহায্য নিয়ে হাঁটতে হয়েছিল তাঁকে। হাতে ছিল ক্রিকেট ব্যাট। সেই সময়ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
Vinod Kambli’s latest video, he is presently at an elderly care centre in Thane.
Praying for his recovery soon. pic.twitter.com/6k1plg1aCl— Abhishek ✨ (@ImAbhishek7_) September 25, 2026
কাম্বলির ছোটবেলার বন্ধু ও সতীর্থ সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar) অনেক সাহায্য করছেন। সচিনের ৫৩-তম জন্মদিনে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে যান কাম্বলি। সেখানেই রমাকান্ত আচরেকরের (Ramakant Achrekar) কাছে ক্রিকেট খেলা শেখা শুরু করেন এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার। ছোটবেলার বন্ধুকে সাহায্য করছেন সচিন। এই কারণেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন কাম্বলি।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।