
East Bengal vs Mohun Bagan Super Giant: সাহাল আবদুল সামাদের একমাত্র গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2026) অভিযান শুরু করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ৫২ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডারদের ভুলে বক্সের মধ্যে ডানদিকে বল পেয়ে যান কিয়ান নাসিরি। তাঁর মাইনাসে মনবীর সিংয়ের ডামি থেকে বল পেয়ে যান সাহাল। তিনি বক্সের মধ্যে ফাঁকায় একেবারে অরক্ষিত অবস্থায় ছিলেন। সহজেই জালে বল জড়িয়ে দেন সাহাল। এই গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিল। শেষদিকে সমতা ফেরানোর অনেক চেষ্টা করেছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু সবুজ-মেরুন রক্ষণে ফাটল ধরানো সম্ভব হয়নি।
এদিনই ইস্টবেঙ্গলের প্রধান কোচ হিসেবে হোসে অ্যান্টনিও লোপেজের (José Antonio López) প্রথম ম্যাচ ছিল। ভারতীয় ফুটবলে গত এক দশকে অন্যতম সফল এই স্প্যানিশ কোচ এদিন হারের মুখ দেখলেন। তিনি মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের প্রধান কোচ হিসেবে অনেক সাফল্য পেয়েছেন। কিন্তু উল্টোদিকে থেকে এদিন জয় পেলেন না।
ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের সব বিদেশি ফুটবলার এখনও কলকাতায় এসে পৌঁছননি। ভারতীয় ফুটবলাররাও বেশিদিন অনুশীলন করেননি। এই কারণেই ম্যাচে বারবার দমের ঘাটতি দেখা যাচ্ছিল। দুই দলই এখনও তৈরি নয়। এই কারণে মিসপাসের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছিল। ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলাররা বেশি মিস পাস করায় এবং গোলের সুযোগ নষ্ট করায় হেরে গেল দল।
এই ম্যাচের ২৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে জিকসন সিংয়ের হাতে বল লাগে। কিন্তু তিনি বল আটকানোর চেষ্টা করেননি। অনিচ্ছাকৃতভাবে হাতে বল লাগে। এই কারণে পেনাল্টির আবেদনে সাড়া দেননি রেফারি। ৭৪ মিনিটে লেফট উইংয়ে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের অধিনায়ক শুভাশিস বসুকে অতিক্রম করে যান এডমুন্ড লালরিনডিকা। তাঁকে আটকাতে হাত ধরে টেনে ফেলে দেন শুভাশিস। এই ধরনের গোলমুখী আক্রমণে ফাউলের ক্ষেত্রে সাধারণত লাল কার্ড হয়। কিন্তু রেফারি শুভাশিসকে হলুদ কার্ড দেখান। সংযুক্ত সময়ে ড্যানি র্যামিরেজের ক্রস থেকে মহম্মদ বাসিম রশিদের শট সেভ করে দেন বিশাল কাইথ।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।