
FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হওয়ার পরেই ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর (FIFA president Gianni Infantino) পদত্যাগ দাবি করলেন লা লিগা প্রেসিডেন্ট হেভিয়ের তেবাস (La Liga president Javier Tebas)। তাঁর দাবি, 'আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বাড়ানোর নামে ফিফা ঘরোয়া লিগ ও ক্লাবগুলির স্বার্থ উপেক্ষা করে ফুটবল শিল্পকে ধ্বংস করছে।' ইতালির (Italy) সংবাদমাধ্যম লা গাজেত্তা দেলো স্পোর্তকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লা লিগা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আমার মতে, হ্যাঁ। আমি মনে করি তাঁর (ইনফ্যান্তিনো) সময় শেষ।’ ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের মূলপর্বে দল সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করার পরিকল্পনা করছে ফিফা। বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সূচি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব নিয়েই ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে।
ইনফ্যান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করলেও, তিনি ফিফা প্রেসিডেন্ট পদে থেকে যেতে পারেন বলে মনে করেন লা লিগা প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, ‘তাঁর থাকা উচিত নয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি যাবেন না। কোনও বিরোধী প্রার্থী নেই। কেউ হারার জন্য নির্বাচনে দাঁড়াতে চায় না। এটাই বর্তমান ব্যবস্থা। আর এই ব্যবস্থার ভিত্তিটাই ত্রুটিপূর্ণ। আমি অনেককে ইনফ্যান্তিনোর বিরুদ্ধে কথা বলতে শুনেছি। তারা তাঁর কাজের সঙ্গে একমত নয়। তারা সেটা বলে, কিন্তু এরপর আর কিছুই করে না।’ ২০১৬ সাল থেকে ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইনফ্যান্তিনো। তিনি এপ্রিল মাসে ঘোষণা করেছেন, তিনি চতুর্থ মেয়াদের জন্য নির্বাচনে লড়াই করবেন। ২০২৭-৩১ মেয়াদের নির্বাচন আগামী বছরের ১৮ মার্চ মরক্কোয় (Morocco) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই নির্বাচনেও তাঁর জয় নিশ্চিত। কারণ, বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনগুলির মধ্যে এখনও তাঁর পক্ষে সমর্থন রয়েছে। ফলে তাঁর জয় আটকানো কঠিন।
এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে লাল কার্ড দেখার পরের ম্যাচেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন ব্যালোগান (Folarin Balogun) খেলার সুযোগ পেয়ে যান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump) হস্তক্ষেপের পরেই নির্বাসন স্থগিত করে দেয় ফিফা শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন লা লিগা প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, ‘মার্কিন ফুটবলারের নির্বাসন স্থগিত করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। ভাগ্য ভালো যে বেলজিয়াম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করে দিয়েছে। তা না হলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত, যা ইনফ্যান্তিনোর চাকরিই কেড়ে নিতে পারত। বেলজিয়াম জিতে যাওয়ায় বিষয়টি চাপা পড়ে গিয়েছে। কিন্তু এসব ঘটনা কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র।’
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।