MB vs EB: রবিবাসরীয় মেগা কলকাতা ডার্বি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে, মিগুয়েলের পাস থেকে বল পেয়ে অনবদ্য গোল করে যান এডমুন্ড লালরিনডিকা (mohun bagan vs east bengal)। ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে। কিন্তু খেলার ৮৯ মিনিটে, পেত্রাতোসের কর্নার থেকে আসা বলে দুরন্ত গোল করে মোহনবাগানের হয়ে সমতা ফেরান সুপার-সাব জেসন কামিংস। এই ম্যাচের পর, সাংবাদিকদের কী জানালেন দুই প্রধানের দুই কর্তা(indian super league 2026)?
যুবভারতীতে ম্যাচ শেষে, মোহনবাগান কর্তা দেবাশিস দত্ত জানান, “এতদিন আমরা এক নম্বরে থাকতাম, আর ওরা ৯-১০ নম্বরে থাকত। কিন্তু এবার ওরা এক নম্বরে। তবে এই দুটো দলের মধ্যেই এক-দুই থাকবে। এটা বাংলার ফুটবলের জন্য অত্যন্ত ভালো একটা বিজ্ঞাপন বলব আমি। এই ম্যাচটা যে পদ্ধতিতে খেলা উচিত, মোহনবাগান সেই পদ্ধতিতেই খেলেছে। তবে যেহেতু আমরা অনেক বেশি ওপেন অ্যাটাকে গেছি, ওরাও বেশ কয়েকটা সুযোগ পেয়েছে। একটা বল পোষ্টে লেগেছে, একটা ওয়ান টু ওয়ান হয়েছে। এটা হতেই পারে। কোচ যা করেছে একদম সঠিক। আমাদের অ্যাটাকিং ফোর্স যথেষ্ট ভালো। তবে আমার মনে হয়, এই গোলটা যদি ৫-৭ মিনিট আগে হত, তাহলে আরেকটা গোল হতে পারত। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য যে, ম্যাকলারেনের বলটা গোলকিপারের হাঁটুতে লেগে গেল। ঐ বলটা গোলে ঢোকা উচিত ছিল। তবে এখনও অবধি একটা ম্যাচ বাকি আছে। আশা করব, ঐ ম্যাচটা ইন্টার কাশী ফুল দমে খেলবে। মানে ওখানে যেন অন্য কিছু না হয়। আমার মনে হয়, আমাদের একটা পেনাল্টি প্রাপ্য ছিল। হাতে বলে লেগেছে। আমার যা দেখে মনে হয়েছে। আমার মনে হয় সবাই দেখলে বুঝতে পারবে। আমরা একটাও পেনাল্টি পেলাম না। আমরা আইএসএলে একটাও পেনাল্টি পাব না, এটা ধরেই নিয়েই খেলতে হচ্ছে।"
অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, “এই ম্যাচটা জিতলে দর্শকদের একটা উপহার দেওয়া যেত। চ্যাম্পিয়নশিপের ব্যাপারটা আরেকটু ক্লোজ করা যেত। আজকের ম্যাচে জয়টা পেলাম না, এটা অবশ্যই দুঃখের। বড় ম্যাচ সবসময়, ৫০-৫০। যে সুযোগগুলো আমরা পেয়েছি সেগুলো অনেক আলাদা ছিল। সবাই দেখেছে। হ্যাঁ, ওরাও সুযোগ পেয়েছে। যাক যেটা হয়নি, সেটা নিয়ে আর ভেবে লাভ নেই। পরের ম্যাচের জন্য আমাদের ভাবতে হবে।"
অন্যদিকে, ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকারের সঙ্গে একান্তে আলোচনা করতে দেখা যায় লাল হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজোকে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।