Internet Submarine Cables: ইন্টারনেট চলে স্যাটেলাইটে, এই ধারণা ভুল! ৯৯% ডেটা আসে সমুদ্রের তলার তার বেয়ে

Published : May 02, 2026, 08:24 PM IST

Internet Submarine Cables: আমরা ভাবি ইন্টারনেট চলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে। কিন্তু জানেন কি, বিশ্বের ৯৫ থেকে ৯৯ শতাংশ ইন্টারনেট ট্র্যাফিক সমুদ্রের নীচে পাতা সাবমেরিন কেবলের মধ্যে দিয়ে যায়? কীভাবে কাজ করে এই ব্যবস্থা?

PREV
15
সমুদ্রের তলায় কেন এই কেবল পাতা হয়?

Internet Submarine Cables: ডাঙার চেয়ে সমুদ্রের তলদেশ অনেক বেশি স্থিতিশীল। স্থলে নির্মাণকাজ, খোঁড়াখুঁড়ি বা যানবাহনের চাপে কেবলের ক্ষতি হওয়ার ভয় থাকে। কিন্তু সমুদ্রের গভীরে সেই আশঙ্কা অনেক কম। তাই সুরক্ষার জন্য সমুদ্রই সেরা বিকল্প।

25
মহাদেশগুলিকে জুড়তে এটাই সেরা উপায়
এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশের দূরত্ব বিশাল। মাটির ওপর দিয়ে এই দূরত্ব পার করা কঠিন এবং খরচসাপেক্ষ। সমুদ্রের তলা দিয়ে সরাসরি এক দেশ থেকে অন্য দেশে কেবল সংযোগ করা যায়। এটি অনেক সহজ এবং কম খরচের একটি উপায়।
35
সাবমেরিন কেবল কীভাবে কাজ করে?
এগুলো সাধারণ তার নয়। এর মধ্যে থাকে ফাইবার অপটিক প্রযুক্তি। অর্থাৎ, কাচের তৈরি সূক্ষ্ম সুতোর মতো তার আলোর সঙ্কেত হিসেবে ডেটা পাঠায়। স্যাটেলাইটের চেয়ে এর গতি অনেক বেশি এবং ডেটা পাঠাতে দেরিও (latency) কম হয়। তাই ইন্টারনেটের স্পিড ভাল থাকে।
45
জলের মধ্যেও কেন এগুলি নষ্ট হয় না?
এই কেবলের সুরক্ষার জন্য একাধিক স্তর থাকে। ভেতরের ফাইবারকে সুরক্ষিত রাখতে স্টিল ও তামার স্তর থাকে। জল যাতে ঢুকতে না পারে, তার জন্য বিশেষ জেল কোটিং দেওয়া হয়। সবশেষে প্লাস্টিকের স্তর থাকায় নোনা জলেও মরচে পড়ার ভয় থাকে না।
55
সমুদ্রের গভীরে চাপ কীভাবে সহ্য করে?
সমুদ্রের গভীরে জলের চাপ 엄청। কিন্তু এই কেবলগুলো সেই চাপ সহ্য করার মতো করেই ডিজাইন করা হয়। মজবুত ধাতব স্তর এবং ভারী কোটিং থাকায় হাজার হাজার কিলোমিটার দূরেও ডেটা মসৃণভাবে যাতায়াত করতে পারে।
Read more Photos on
click me!

Recommended Stories