
BJP vs AITC: বিজেপি-শাসিত গ্রাম পঞ্চায়েতে নীল-সাদা রঙ বদলে গেরুয়া করার ঘটনায় রণক্ষেত্র ধূপগুড়ি (Dhupguri)! শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পথ অবরোধ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বুধবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল গাদং ২ গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলে। এখানকার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসটি আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পছন্দের নীল-সাদা রঙের ছিল। অভিযোগ, বিজেপি পরিচালিত এই পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ গতকাল থেকে সেই রং মুছে পুরো ভবনটি গেরুয়া করার কাজ শুরু করে। রাজ্যের বেশিরভাগ সরকারি ভবনের নির্দিষ্ট নীল-সাদা থিম থাকা সত্ত্বেও কেন এখানে গেরুয়া রং করা হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে সরব হয় শাসক দল। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের দাবি, বাধা দেওয়া সত্ত্বেও জোর করে রঙের কাজ চালানো হচ্ছিল।
বুধবার দুপুরে ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা পঞ্চায়েত অফিসের প্রধান গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এরপর ধূপগুড়ি-ফালাকাটাগামী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে তারা। এর ফলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ওই অঞ্চল। দীর্ঘক্ষণ অবরোধের জেরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এরপর ধূপগুড়ি থানার আইসি এবং ব্লক তৃণমূল সভাপতির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
বিজেপি নেতা আগুন রায় অবশ্য এই বিক্ষোভকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর দাবি, রং নিয়ে তৃণমূলের সঠিক ধারণা নেই বলেই তারা এই ধরনের আচরণ করছে।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা উত্তম সরকারের ইস্তফার রেশ কাটতে না কাটতেই মেখলিগঞ্জে ঘাসফুল শিবিরে বড়সড় ভাঙন। বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে দল ছাড়ার ঘোষণা করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা হোসেন। তাঁর সঙ্গেই পদত্যাগ করেছেন তৃণমূলের জেলা কমিটি সদস্য স্বপ্না বসাক এবং জামালদহ অঞ্চল যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি পবিত্র রায় লস্কর। একের পর এক নেতার এই ‘গণ ইস্তফা’ মেখলিগঞ্জের রাজনৈতিক সমীকরণকে যেমন ওলটপালট করে দিয়েছে, তেমনই অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসক শিবিরের অন্দরে। ভোটের মুখে এই দলত্যাগ মেখলিগঞ্জে তৃণমূলের সংগঠনকে কতটা ধাক্কা দেবে, তা নিয়ে এখন তুঙ্গে জল্পনা।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.