
AITC News: শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে প্রকাশ্যে ব্যঙ্গ করেছিলেন। সেদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাসভবনে তৃণমূল কংগ্রেসের বৈঠকে অভিষেকের মুখোমুখি হয়ে তাঁর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে কুণালকে নিয়োগ করা নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এতদিন এই পদে ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay)। তিনি বিক্ষুব্ধ সাংসদদের শিবিরে যোগ দেওয়ায় তাঁর পরিবর্তে কুণালকে উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কুণাল দ্রুত রদবদলের দাবি জানান। তাঁর কথা শুনে অভিষেক বলেন, 'সব দেখা যাবে, পরে হবে।' সে কথা শুনে কুণাল বলেন, 'অভিষেক, তুমি আর লেবু কচলে তেতো কোরো না।' এখান থেকেই শুরু হয়ে যায় তর্ক।
তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, অভিষেক-কুণাল তর্ক শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মমতা। তিনি বলেন, 'ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল, এখন শান্ত থাকতে হবে। দলের এই সময়ে সবাইকে মাথা ঠান্ডা করে কাজ করতে হবে। সবাইকে এক হয়ে থাকতে হবে।' তর্ক থামাতে যান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Kalyan Banerjee)। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও বৈঠকে ছিলেন।
তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, বৈঠক শেষ হওয়ার পর কুণালকে উদ্দেশ্যে করে অভিষেক বলেন, 'তুমি কি ঝগড়া করবে বলেই এসেছিলে?' পাল্টা কুণাল বলেন, 'ঝগড়া আমি করিনি। যেটা বলার বলেছি।' সে কথা শুনে অভিষেক বলেন, 'তুমি আমার আর সুমিতের বিরুদ্ধে স্টেটমেন্ট দিয়েছো।' তখন কুণাল বলেন, 'আমি তোমার বিরুদ্ধে কোনও স্টেটমেন্ট দিইনি। তুমি সুমিতকে কেন নিজের কাঁধে নিচ্ছো?' রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন রোখা সম্ভব নয়। যত দিন যাবে নেতা-নেত্রীদের দ্বন্দ্ব বাড়বে। পরিস্থিতি মমতার হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।