West Bengal School Service Commission: রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপি (BJP) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, প্রতি বছর স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। তবে বর্তমান রাজ্য সরকার এখনও পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে পারেনি। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

DID YOU
KNOW
?
শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা
স্কুল সার্ভস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চললেও, এই প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।

West Bengal Teachers Appointment: সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India) যে সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল, সেই সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। এই কারণে সময় বৃদ্ধি করার আর্জি জানিয়ে ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (West Bengal School Service Commission)। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি এসএসসি। এই কারণে সময়ে বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় এসএসসি। সেই আবেদন মঞ্জুর করে চলতি বছরের ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত সময় দেয় শীর্ষ আদালত। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেও শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে ফের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাতে চলেছে এসএসসি।

শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা

গত এক দশকে এসএসসি-র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া জটিল হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির দায়ে গত বছরের এপ্রিলে ২০১৬ সালে আয়োজিত এসএসসি-র পুরো প্যানেলই বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী চাকরি খোয়ান। তবে সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিকভাবে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ এবং পরে চলতি বছরের ৩১ অগস্ট পর্যন্ত যোগ্য শিক্ষকদের সবেতন কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এই সময়সীমার মধ্যে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু ওবিসি সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ফের শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাই এবার শীর্ষ আদালতের কাছে বাড়তি সময় চাইছে এসএসসি।

‘যোগ্য’ শিক্ষকদের স্বস্তি

এসএসসি ৩১ অগাস্টের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারলে ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের একাংশকে চাকরি খোয়াতে হত। তবে এসএসসি বাড়তি সময় পেলে আপাতত তাঁরা কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্ট কতদিন পর্যন্ত সময় দেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি বছরে না আগামী বছরে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।