কলকাতা হাইকোর্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়
আগাম জামিনের আবেদন করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'বেপাত্তা' আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। মামলা দায়ের হলেও দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। সোমবারই আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক।
25
সুমিতের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ
জমি দুর্নীতি এবং মোটা টাকার বিনিময়ে বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়া এবং তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে। মেদিনীপুরের ধৃত প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। সেই সূত্রে মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে।
35
জারি গ্ৰেফতারি পরোয়ানা
তাঁর বিরুদ্ধে জারি হয় গ্ৰেফতারি পরোয়ানা। তারপর থেকেই বেপাত্তা হয়ে যান তিনি। গত শনিবার সুমিতের শেষ মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় শালবনি থানার পুলিশ। কিন্তু তাঁকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
বেপাত্তা অবস্থাতেই এবার আগাম জামিনের আবেদন করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন সুমিত। মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও সুমিতের আইনজীবীদের দ্রুত শুনানির আর্জি সোমবার খারিজ করে দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। ফলে কিছুটা হলেও বিপাকে অভিষেকের 'বেপাত্তা' আপ্তসহায়ক।
55
বিপাকে অভিষেকও
অন্যদিকে, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বেলা ১১টা নাগাদ তাঁকে হাজিরা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তিনি ১০টা ১৫ মিনিটে তাঁর কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন। ১১টার কিছু আগেই পৌঁছে যান ইডির অফিসে। তবে এবার অভিষেকের জন্য সিজিও কমপ্লেক্সে বাড়তি কোনও নিরাপত্তা নেই। কোনও পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়নি। আগে অভিষেক সিজিও কমপ্লেক্সে গেলে সেখানে বরাবরই বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হতো। এবার আর তা করা হয়নি