অগাষ্টের প্রথম সপ্তাহ প্রায় কাটতে বসেছে। এখনও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাননি অনেক মহিলাই। ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। এই নিয়ে এবার বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন টাকা পাবেন সবাই। এরইসঙ্গে জানিয়ে দিলেন তারিখও।
অগাষ্টের প্রথম সপ্তাহ প্রায় কাটতে বসেছে। এখনও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাননি অনেক মহিলাই। ফলে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। এদিকে, এই নিয়ে এবার বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
310
ইতিমধ্যেই প্রথম দুই মাসের কিস্তি প্রদান করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। প্রথম দফায় অর্থাৎ জুন মাসে দেওয়া হয়েছিল ৫০ লক্ষ মতো মহিলার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। অন্যদিকে জুলাই মাসে দেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ৯ লক্ষের বেশি মহিলাকে সুবিধা।
কিন্তু কেন যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে না? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই জানিয়েছিলেন, আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যেই ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা। তাহলে?
510
আগস্ট মাসে টাকা ঢুকতে দেরি হওয়ার পিছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। রাজ্য সরকারের দাবি, অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও অনেকেই এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েছিল। সেই কারণে এবার গোটা রাজ্যজুড়ে চলছে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ।
610
ভেরিফিকেশন করেই সেই মহিলাকে যোগ্য মনে হলে তবেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা দেওয়া হবে বলে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে।
710
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, যাদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এখনও ঢোকেনি, তাদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে চলছে ভেরিফিকেশন। আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যেই প্রত্যেক যোগ্য উপভোক্তাকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করে সুবিধা প্রদান করা হবে।
810
এমনকি সেক্ষেত্রে খবর নিলে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন জোরকদমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তথ্য যাচাই-বাছাই করছে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এলাকার বিধায়কদেরও অন্নপূর্ণার ভেরিফিকেশনের কাজে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
910
তবে হ্যাঁ, আগস্ট মাসের ৪ তারিখ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও যাদের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা ঢোকেনি, তাদের এখনই এতটা উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। কারণ, ধাপে ধাপে গোটা মাসজুড়ে এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হবে, এমনটাই খবর প্রশাসন সূত্রে।
1010
আর যেহেতু প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে, তাই এক-দুই দিনে টাকা পাঠানো সম্ভব নয়, এটা বাস্তব। তবে একান্তই যদি টাকা না ঢোকে তাহলে স্থানীয় বিডিও অফিস কিংবা পৌরসভায় গিয়ে লিখিতভাবে আবেদন জানান।