
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার ১৪২টি আসনে ভোটের দিন নিজের ভোট দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি ভোটের পর বলেন, "আমাদের ব্যাটসম্যানরা প্রথম দফায় সেঞ্চুরি করে ফেলেছে, এবার টার্গেট ডাবল সেঞ্চুরি।" বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ৭৮.৬৮% ভোট পড়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব বর্ধমান জেলায় সবচেয়ে বেশি, ৮৩.১১% ভোট পড়েছে। এর পরেই রয়েছে হুগলি, সেখানে ভোটের হার ৮০.৭৭%।
নদীয়া জেলায় ৭৯.৭৯%, উত্তর কলকাতায় ৭৮% এবং দক্ষিণ কলকাতায় ৭৫.৩৮% ভোট পড়েছে। এছাড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও প্রচুর মানুষ ভোট দিয়েছেন, সেখানে ভোটের হার ৭৬.৭৫%।
এদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বুধবার দাবি করেছেন যে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ তৃতীয়বারের জন্য আসামে এবং পুদুচেরিতে ক্ষমতা ধরে রাখবে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতেও তারা সরকার গড়বে। ৪ মে চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে।
ওই বিজেপি নেতা পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে-কে একহাত নেন। তিনি বলেন, "রাহুল গান্ধী পরিবার, মমতা ব্যানার্জী পরিবার এবং স্ট্যালিন পরিবারের অযোগ্য সরকারের বিকল্প হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ।"
গোয়েল এখানে সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা অবশ্যই পুদুচেরি এবং আসামে ক্ষমতা ধরে রাখব, তবে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতেও সরকার গড়ব। এই নির্বাচনে আমরা কেরালায় আমাদের ভোটের হার বাড়াব এবং আরও বেশি আসন পাব। দীর্ঘমেয়াদী লড়াইয়ে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর মানুষের বিশ্বাস ও ভরসার জেরে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটই হল আসল বিকল্প। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী পরিবার, তৃণমূলের মমতা ব্যানার্জী পরিবার বা ডিএমকে-র স্ট্যালিন পরিবারের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত, অযোগ্য ও প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই। আমাদের দল কর্মী-চালিত এবং জনমুখী।" ভোট গণনা হবে ৪ মে।