এস আই আর সম্পন্ন করতে গণতান্ত্রিক অধিকার বাঁচাতে যেটা দরকার সুপ্রিম কোর্ট সেটাই করছে। বিএলএ সিস্টেমের অঙ্গ। তারা সেখানে থাকতে পারে। যারা বুথের সম্পর্কে ইনফরমেশন দিতে পারবে তাদের একজনের থাকা দরকার। সিস্টেমের মধ্যে হওয়া দরকার। উটকো লোক ঢুকে পড়লেই সমস্যা।
25
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা আক্রমণ দিলীপের
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুংকার কোর্টে হারানোর সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘’যাদের সরকার আসার পর থেকে চিরদিন কোর্টে হেরে আসছে তারা কোর্টে হারার কথা বলছে। কোর্ট কে অস্বীকার করে সংবিধানকে অস্বীকার করে নির্বাচন কমিশন কে অস্বীকার করে যারা ভোট করতে চাইছে তাদের জবাব সাধারণ মানুষ দেবে।''
35
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খেলা শেষ বিজেপির
হাওয়া গরম করার জন্য অনেক কিছু বলে। আর বিজেপি করছে না নির্বাচন কমিশন করছে। সত্যের সঙ্গে থাকতে ভয় কিসের। গোটা দেশে সকল রাজনৈতিক দল এস আই আর এর সহযোগিতা করছে কেন তৃণমূল করছে না।
বিজেপি সিস্টেম এর মধ্যে থেকে কাজ করছে। তৃণমূলের নেতা বিধায়করা এসে গুন্ডামি করছে ময়দানে। বিজেপির নেতাকর্মীদের মারছে। রাজনৈতিক বা গণতান্ত্রিক কোনো পরিবেশে রাজ্যে নেই। লোকসভা থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচন নমিনেশন জমা থেকে পোলিং পর্যন্ত একই দৃশ্য দেখা যায়। এসআইআর করতেই দেওয়া হচ্ছে না। এদেশে প্রথম নয় এসআইআর। তৃণমূল সিস্টেম না মেনে জোর করে জিততে চাইছে তাই সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
55
বেলডাঙা কেন্দ্রীয় বাহিনী
মুর্শিদাবাদ জেলার যা পরিস্থিতি ওখানে হিন্দুরা সংখ্যালঘু তাদের অবস্থা বিপন্ন কাশ্মীরের স্টাইলে আন্দোলন বা পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হচ্ছে পুলিশ নিশ্চুপ। বাংলাদেশ কাশ্মীরের মধ্যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মুর্শিদাবাদ ভারত বা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে থাকবে কিনা সে প্রশ্ন উঠছে। পরিকল্পিতভাবে পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। অন্যান্য জেলাতেও কিছু কিছু পকেট তৈরি করা হচ্ছে যেখানে পুরো পরিস্থিতিকে বিগড়ে দেওয়া যায়।