Calcutta High Court: স্কুল শিক্ষকদের বেলাগাম প্রাইভেট টিউশন! রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব আদালতের

Published : Apr 07, 2026, 09:15 AM IST

Calcutta High Court On Education: দিন যত এগোচ্ছে ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাঙের ছাতার মতো গজাচ্ছে প্রাইভেট টিউশন। স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এক্সট্রা ইনকামের এই বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে এবার উষ্মা প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।। 

PREV
16
বাংলায় বাড়ছে বেলাগাম প্রাইভেট টিউশন

রাজ্যজুড়ে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বেলাগাম প্রাইভেট টিউশন নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব প্রধান বিচারপতির। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের নিষেধাজ্ঞা বিজ্ঞপ্তির ৮ বছর কেটে গেল এখনও কোনও পদক্ষেপ নয় কেন? জবাব তলব করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ।

26
হাইকোর্টের নির্দেশে প্রাইভেট টিউটরদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

সরকারি, আধা সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা কোচিং সেন্টার তথা প্রাইভেট টিউশন নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। শহর ও শহরতলিতে একাধিক সরকারি এবং আধা সরকারি স্কুলগুলিতে যে সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রাইভেট টিউশন করেন কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে অবশ্যই তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে বলে মনে করছেন হাইকোর্টে আইনজীবী মহলের একাংশ।

36
স্কুল শিক্ষকদের কাছে পড়ানোর জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগ

বিভিন্ন সময় অভিভাবকরা অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁদের সন্তানদের স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে পড়ানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। যে কারণে সেই অভিভাবকরা না চাইলেও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে পড়াতে হয় তাঁদের সন্তানকে বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন চলতে থাকা এই সমস্যা থেকে বেরোতে ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ, সরকারি এবং আধা সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই বহালতবিয়াতে ছাত্র-ছাত্রীদের তাঁদের কাছে পড়তে বাধ্য করছেন।

46
ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন গৃহ শিক্ষকরা

জানা গিয়েছে, সেই কারণে পশ্চিমবঙ্গের যারা গৃহ শিক্ষকতা করেন, তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তাই রাজ্য সরকার ও স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে দারস্থ হয়ে জানান, ২০১৮ সালের গেজেট বিক্ষপ্তি অমান্য করে সরকারি ও আধা সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা বেআইনি ভাবেই অবাধে কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট টিউশন করছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টে তৎকালীন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর এবং রাজ্য কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। তাই তারা পুনরায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

56
কী বলছে হাইকোর্টের নির্দেশ

সোমবার সেই সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলায় প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে আইনজীবী আশীষকুমার চৌধুরী জানান, হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল ২০১৮ সালের গেজেট বিজ্ঞপ্তি না মেনে যে সকল সরকারি ও আধা সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু মামলাকারী সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিটি জেলার যারা সরকারি এবং আধা সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা প্রাইভেটে শিক্ষকতা করছেন, সেই তালিকা রাজ্যের হাতে তুলে দিলেও আজ পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ওই সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে। বেআইনি সরকারি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দ্বারা পরিচালিত কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট টিউশন অবিলম্বে বন্ধ করা হোক।

66
মামলার পরবর্তী শুনানি কবে?

প্রধান বিচারপতি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, 'নির্দেশিকা মেনে আপনারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে কি আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছেন, এমন তথ্য প্রমাণ রয়েছে?' যদিও আইনজীবী জানান লিখিত রিপোর্ট এই মুহূর্তে তার কাছে নেই। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল নির্দেশ দেন রাজ্য ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে হলফনামা জমা দিয়ে জানাতে হবে ২০১৮ সালের সরকারি নির্দেশিকা ও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তারা। বিস্তারিত রিপোর্ট আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে আদালতে জমা দিতে নির্দেশ প্রধান বিচারপতির।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories