Calcutta High Court On Election Commission: ভোটের কাজে কলেজের অধ্যাপকদের নিযুক্ত করা যাবে না প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে। প্রথম দফা নির্বাচনের মুখে বড় ধাক্কা নির্বাচন কমিশনের। কী বলল কলকাতা হাইকোর্ট? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটের আর হাতে গোনা কয়েক দিন বাকি। এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। বাক্য পাল্টা বিরোধীদের তপ্ত বাক্য প্রয়োগে উত্তপ্ত ভোটের ময়দান। আর এবার ভোটের ডিউটিতে কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে কাজে যুক্ত করা হবে কীনা তা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট। কী বলল আদালত? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি।
25
নির্বাচন নিয়ে আদালতের কড়া নির্দেশ
জানা গিয়েছে, ভোটের আগেই আদালতে বড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন (National Election Commission)। কলেজের অধ্যাপকদের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি শুক্রবার খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কী কারণে ভোটের কাজে অধ্যাপকদের নিয়োগ করা হয়েছে, তার কোনও সদুত্তর আদালতকে দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তাই কমিশনের এই বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দিলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়ে দিল হাইকোর্ট।
35
কমিশনকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের
এই মামলার শুনানিতে কমিশনকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। বিচারপতি কমিশনের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘’বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তো আপনারা বিচারকদেরও নিয়োগের ব্যবস্থা রেখেছেন। আমাদের কোন অসুবিধা নেই, নিয়োগ করতেই পারেন আমাদের। আমরাও পোলিং অফিসার হিসেবে বুথে ডিউটি করতে যাব।'' কমিশন আদালতে পাল্টা জানায়, নির্বাচনের মুখে মামলার কারণে নতুন করে নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ দিয়ে ভোট করা সম্ভব নয়। তবে আদালত কমিশনের এই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি। তাই ভোটের কাজে কলেজের অধ্যাপকদের কেন নিয়োগ করা হবে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার ব্যাখ্যা কমিশনার থেকে চেয়েছিল হাইকোর্ট।
শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতে কমিশন তার কোন সদুত্তর দিতে পারিনি। তাই বিচার প্রতি কৃষ্ণা রাও জানিয়ে দেন, কি কারনে কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার করে পোলিং বুথে পাঠানো হচ্ছিল তার ব্যাখ্যা কমিশনের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদালতকে তারা সদুউত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আদালত, কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করার কমিশনের নির্দেশ খারিজ করছে।
55
কারা ভোটের কাজ করতে পারবেন জানিয়ে দিলো কলকাতা হাইকোর্ট
পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে যে, যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ নিতে চলে গিয়েছেন বা প্রশিক্ষণ নিয়ে ফেলেছেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই রায় কার্যকর হবে না। যাঁরা কমিশনের এই বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাঁদের ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের এই মামলায় যুক্ত করা হয়নি। কারণ কমিশন বৃহস্পতিবারই জানিয়েছিল, অনেকের প্রশিক্ষণ হয়ে গিয়েছে। ভোটের আগে নতুন করে নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ দেওয়া আর সম্ভব নয়। নির্বাচন সঠিক সময় হবে কিনা, তা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেক্ষেত্রে যাঁদের আপত্তি নেই, তাঁরা ভোটের কাজ করতে পারেন।