West Bengal Election: ভোটের ডিউটিতে আসাই কাল হলো। ডায়মণ্ড হারবারে ভোটের ডিউটিতে আসা কেন্দ্রীয় জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা জানতে শুরু হয়েছে পুলিশি তদন্ত। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

West Bengal Election: ডায়মন্ড হারবারে ভোটের ডিউটিতে আসা কেন্দ্রীয় জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যু। কেন্দ্রীয় জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যু। ঘটনাটি দক্ষিন ২৪ পরগনার ফলতা থানার দোস্তিপুর এলাকার। মৃত জওয়ান কনক কোচ আসামের বাসিন্দা। তিনি I TBP ব্যাটেলিয়নের হেড কনস্টেবল ছিলেন। জানা যায়, ফলতা থানার দোস্তিপুর হাই স্কুলে আই টি বি পি ব্যাটেলিয়নের ৮৬ জন জওয়ান রয়েছে। 

বুধবার রাতে নিজেদের খাওয়া-দাওয়া সেরে সকলেই শুয়ে পড়েন। পরে জওয়ানদের এক সদস্য বাথরুম করতে উঠলে দেখতে পান কনক কোচ বারান্দাতে উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছে। তড়িঘড়ি অন্যান্য সদস্যরা ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে।

কেন্দ্রীয় জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য:-

রক্তাক্ত অবস্থায় ওই জওয়ানকে উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে জানায়। অন্যদিকে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য ডায়মন্ড হারবার পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে তবে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে ময়নাতদন্তের পর।

অন্যদিকে, ভোট দিতে আসার আগেই বিজেপি শাসিত উড়িষ্যায় আটক হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার ১৭ জন পরিযায়ী শ্রমিক। অভিযোগ, বাংলায় কথা বলার অপরাধে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক। এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। ঘটনার খবর চাউর হতেই বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ার তৃণমূলের, বাংলাদেশীদের ঠাঁই নেই। পাল্টা আক্রমণ বিজেপির।

সূত্রের খবর, ভোটের মুখে বিজেপি শাসিত উড়িষ্যায় আটক মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকার ১৭ জন পরিযায়ী শ্রমিক। বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশী সন্দেহে তাদের আটক করা হয়েছে অভিযোগ পরিবারের। ভোট দিতে আসার আগেই আটক শ্রমিকরা। বিজেপির চক্রান্তে আটক করা হয়েছে শ্রমিকদের অভিযোগ পরিবার এবং তৃণমূলের। বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি।

 বাংলাদেশীদের ঠাঁই নাই পাল্টা বিজেপি সাংসদ। পরিযায়ী ইস্যুতে তপ্ত হরিশ্চন্দ্রপুরের রাজনীতি। মূলত হরিশ্চন্দ্রপুরের ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈরাট এলাকার পাঁচজন সহ আরও অন্যান্য এলাকার মোট ১৭ জন উড়িষ্যার বেলাগুঠা এলাকায় কাপড় সহ বিভিন্ন সামগ্রী ফেরি করে বিক্রি করতো। 

ভোটের জন্য আজ তাদের রওনা দেওয়ার কথা বাড়ির উদ্দেশ্যে। পরিবারের লোকের অভিযোগ, বুধবার ওড়িশার পুলিশ তাদের কাছে আসে। নথিপত্র দেখতে চাই। তারপর রাতে তাদের আটক করে। শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার কারণে বাংলাদেশী সন্দেহে তাদের আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

এই ঘটনার ফলে এদিন জনসভাতে আসার সময় তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকেও। পরিবারের লোকের দাবি, দ্রুত তাদের মুক্তি দেওয়া হোক। বাংলাতেও অন্যান্য রাজ্যের মানুষ কাজ করে। এখানে কোনও হেনস্থা হয় না। বিজেপি চক্রান্ত করে এই হেনস্থা করছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের দাবি, বিজেপি ভয় পেয়ে শ্রমিকদের আটকাচ্ছে। দ্রুত না ছাড়লে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ‘’যারা বাংলাদেশী তাদের এখানে স্থান নেই।'' 

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।