
Chorbagan Durga Puja: পুজো মণ্ডপে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনার পর সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। মণ্ডপের প্রতিমা নিরঞ্জন করা সম্ভব হলেও তদন্তের স্বার্থে প্যান্ডেলটি হুবহু বর্তমান অবস্থাতেই রেখে দেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট জানানো হয়েছে প্যান্ডেল অক্ষত রেখে প্রতিমা বের করা না গেলে আপাতত বিসর্জন স্থগিত থাকবে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানানো হয় মণ্ডপ চত্বরে আলোর ব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। পাশাপাশি মূল রাস্তা এবং মণ্ডপের ভেতরে ঢোকা ও বেরোনোর পথ এতটাই সংকীর্ণ যে সেখানে একসঙ্গে অতিরিক্ত মানুষের ভিড় হলে দুর্ঘটনা ঘটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো মণ্ডপে একটি জরুরি নির্গমন পথ থাকা সত্ত্বেও ঠিক ঘটনার সময় সেটি বন্ধ ছিল বলে পুলিশ অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া, কোনও একটি বিশেষ ঘোষণার জেরে এই বিশৃঙ্খলা বা দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের ভূমিকা প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে পুলিশ যথাযথ কাজ করেছে বলে মনে হলেও, এত বড় একটি বিষয় কীভাবে তাদের চোখ এড়িয়ে গেল তা তদন্ত করে দেখা হবে। পাশাপাশি, যাঁদের ঘোষণার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে, তাঁদের ভূমিকাও কড়া আতশকাচের নিচে আনা হচ্ছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে, চোরবাগান কাণ্ডে পুজো মণ্ডপের ঘোষক সঞ্জীব রাহা গ্রেফতার। বৃহস্পতিবার নদিয়া থেকে তাকে আটক করে কলকাতা পুলিশের ডিডি।
পুলিশ সূত্রে খবর, চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে ঘোষণার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুকে আটক করে কলকাতা পুলিশের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট (ডিডি)। তিনি ওই পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, নদিয়া থেকে তাঁকে আটক করেছে কলকাতা পুলিশের ডিডি। তবে ঠিক কী অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি। চোরবাগান পুজো মণ্ডপের ঘটনায় তার ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।