এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘’যাদবপুরের ইতিহাস আপনারা সবাই জানেন সেখানে প্রকাশ্যে চারটি মারা হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে গাড়ি আটকে থাবড়ানো হয়েছিল রাজ্যপালের কাকে অ্যারেস্ট করেছে কে করেছে ?কি করেছে?ওরা সফটলি হ্যান্ডেল করেন। তারপরে এই ধরনের যারা অ্যান্টি সোশ্যাল টাইপের লোক তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কিছু নতুন ছাত্র-ছাত্রী ইনোসেন্ট থাকে তাদেরকে ভরকানো হয়। আমার মনে হয় এখন সময় এসে গেছে করাকরি স্টেপ নেওয়ার। কর্তৃপক্ষ চিন্তাভাবনা করছেন যেহেতু পুলিশকে দায়িত্ব দিয়েছে পুলিশ বাকিটা দেখবে অপেক্ষা করা উচিত।''
26
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেও এসএফআই এভিডিপির সংঘর্ষ
আপনি ভাবুন না সিপিএমের আমলে প্রত্যেক কলেজে বোন পড়তো মারপিট হতো প্রিন্সিপাল কে তালা মেরে দেওয়া হত চেয়ার ছুড়ে মারা হতো সেই তৃণমূলে চলে গেছে কিন্তু সেই কালচারটা কমিউনিস্টদের রয়ে গেছে যাদবপুরে। হবে তারা চলে গেছে হিংসার লড়াই চলে গেছে কিন্তু যেখানে আছে সেখানে হিংসা চলছে তার পরিবর্তন হতে একটু সময় লাগবে শুরু হয়ে গেছে শেষ হবেই।
36
বিজেপির বাহিনী ভাঙচুর করেছে
এত দামি মালা পড়েন কেন যেটা ছিনিয়ে নেয়। তার টাকায় এত দামি পরে একটা কাউন্সিলর আমি তো প্রশ্ন করব যে এত দামি বালা পড়েন কেন যেখানে প্রাণ টানাটানি হবে আমরা তো একটা আংটি পড়তে ভয় পেতাম আঙুল টাইনা কেটে দেয় যাই হোক স্বপ্ন দেখছেন ওনারা সামনে ইলেকশান আসছে ক্যান্ডিডেট হবে নাম পাঠাবার জন্য এসব উল্টোপাল্টা বলছেন কেউ ওদের নিয়ে ভাবে না কেউ যদি দুষ্কৃতকারী করে থাকেন কমপ্লেন করুন পুলিশ স্টেপ নেবে।
এই ধরনের বহু জায়গায় খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তর করার চেষ্টা করছে লাভ জিহাদ ও চলেছে একসময় হিন্দু মেয়েদের নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করা তো এতদিন যে সরকার ছিল এগুলোকে দেখতো না কমপ্লেন নিত না। এখন সমস্ত কমপ্লেন হবে এই ধরনের যেগুলো দেশবিরোধী কাজ সেগুলো বন্ধ হবে।
56
আবার ঘোষ চক্রের পর্দা ফাঁস
রাস্তায় প্রকাশ্যে আমরা দেখেছি পুলিশ দাঁড়িয়ে ট্রাক-আটকে চাঁদা তুলছে, বহু অভিজ্ঞতা আমার আছে খড়গপুর থেকে কলকাতায় আসতে গেলে রাতের বেলায় লম্বা লম্বা ১/২ কিলোমিটার লাইন হতো ট্রাকের একটা পুলিশ দুটো সিভিক মিলে সমস্ত হাইওয়ে কে আটকে দিয়ে এক একটা গাড়ি ছাড়ছে আর টাকা নিচ্ছে সেই ভিডিও আমরা করেছি সেই সময়। কেউ শুনতো না এখন সেই সমস্ত বদমাইশি বন্ধ হবে পুলিশ যদি প্রথম ঠিক নয় প্রশাসন ঠিক হবে না সেই জন্য যে চাপ সরকার দিচ্ছে এখন এইসব হবে যারা ঠিক হবে না তাদের জেলে যেতে হবে।
66
বিস্ফোরক দাবি ইশা খান চৌধুরী
যদি ওখানকার মেম্বাররা মনে করেন পাল্টাবেন নেতা তো পার্টির সেই অধিকার আছে ওদের পাল্টাচ্ছে যদি এমপিরা পাল্টাতে পারে এমএলএটা পাল্টাতে পারে জেলা পরিষদ মেম্বাররাও পাল্টাতে পারে এখন পরিবর্তনের লহর চলছে সব জায়গায় কংগ্রেস জানিনা স্টেটমেন্ট দিচ্ছে কি হবে যদি ওখানে ফ্লোরে তারা প্রমাণ করতে পারে নিজেদের মেজরিটি তো যে করবে তার দিকেই যাবে।