WB SIR Voter Hearing Update: এসআইআরের শুনানিতে ডাক পাওয়ার পর প্রমাণপত্র হিসাবে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন বহু ভোটার। সেইসব শংসাপত্র আর প্রমাণ্য নথি বলে গ্রহণযোগ্য হবে না। কী বলছে নির্বাচন কমিশন? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের বা আত্মীয়ের নাম না থাকা নো ম্যাপ ভোটারদের শুনানির নোটিস পাঠিয়েছিল কমিশন। বলা হয়েছিল, কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির মধ্যে যে কোনও একটি নথি জমা দিয়ে নিজেকে ভারতীয় ভোটার হিসাবে প্রমাণ করতে হবে শুনানিতে ডাক পাওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১৩টি নথির মধ্যে একটি নথি হিসাবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জারি করা স্থায়ী ঠিকানা বা বাসস্থান সংক্রান্ত শংসাপত্রকে মান্যতা দিয়েছে কমিশন।
25
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট তরজা
এমনকি এই সার্টিফিকেট কোন আধিকারিক স্তরে ইস্যু করা হয় তা জানতে রাজ্যকে চিঠি লিখেছিল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। সেই চিঠির জবাবে রাজ্য জানিয়েছিল, ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যু করার ক্ষমতা দেওয়া ছিল জেলাশাসকদের হাতে। তারপর এই শংসাপত্র ইস্যু করেন এডিএম অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসক বা এসডিও যারা এসআইআর কাজে ইআরওর দায়িত্ব পালন করছেন।
35
নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি
রাজ্যের তরফে এই চিঠি পাওয়ার পরই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য হবে কি না তা জানতে চেয়ে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল সিইও অফিস। সূত্রের খবর সেই চিঠির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এক্ষেত্রে প্রমাণ্য নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। কিন্তু কমিশনের যুক্তি রাজ্যের জারি করা স্থায়ী ঠিকানা বা বাসস্থান সংক্রান্ত শংসাপত্র বলতে যা বোঝায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট তা নয়।
ফলে এক্ষেত্রে তা গ্রহণযোগ্য নথি বলে গণ্য হতে পারে না। কমিশন নির্ধারিত ওই ১৩টি নথির বাইরে অন্যনথি জমা নেওয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে বলে খবর। যাঁরা শুনানিতে গিয়ে ইতিমধ্যেই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন, তাঁদের ফের শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
55
প্রামাণ্য নথি নয় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট
কমিশন সূত্রে খবর, এসআইআর ভোটার শুনানিতে বহু ভোটারা শুনানিতে গিয়ে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন। তা জমা নেওয়াও হয়েছে। প্রথমে কমিশন জানিয়েছিল এই সমস্ত সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য কি না তা যাচাই করবেন ডিইওরা। কিন্তু সেইসব শংসাপত্র আর প্রমাণ্য নথি বলে গ্রহণযোগ্য হবে না এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে ।