এবছরই হতে চলেছে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর প্রথম দুর্গাপুজো। গত এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচনে ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এবার পুজো হবে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত।
28
পুজো কমিটিতে বদলের হাওয়া
রাজ্যে ক্ষমতা বদলের প্রভাব পড়েছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুজো কমিটিগুলিতেও। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতা ছেড়ে এবার একাধিক পুজো কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
38
শ্রীভূমি ও সুরুচি সংঘে বদল
সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বদল এসেছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব ও সুরুচি সংঘে। বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার সুরুচি সংঘের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এসেছেন, আর স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জি যুক্ত হয়েছেন শ্রীভূমির পুজোর সঙ্গে।
এতদিন শ্রীভূমির পুজোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু, আর সুরুচি সংঘের সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ক্ষমতার পালাবদলের পর তাঁদের জায়গা নিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
58
রাজ্য বিজেপি সভাপতির স্পষ্ট অবস্থান
রাজ্য বিজেপি সভাপতি সমিক ভট্টাচার্য অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনও পুজো কমিটির প্রধান হবেন না। তাঁর মতে, দুর্গাপুজো রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের মঞ্চ নয়, বরং জনগণের নিজস্ব উৎসব হিসেবেই থাকা উচিত।
68
দক্ষিণ কলকাতাতেও বদলের ছোঁয়া
পাটুলির কেন্দুয়া শান্তি সংঘে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন টিএমসি কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তর জায়গায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সর্ব্বরী মুখার্জি। বারানগরেও প্রাক্তন তৃণমূল নেতার জায়গায় এসেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ।
78
রাজডাঙ্গায় ‘শোধন’ থিমে ভিন্ন সিদ্ধান্ত
বিচারাধীন প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গে যুক্ত রাজডাঙ্গা নবোদয় সংঘ এবার একটি ভিন্ন পথে হেঁটেছে। তারা এবারের পুজো শুধুমাত্র ক্লাব সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, থিম হিসেবে বেছে নিয়েছে ‘শোধন’।
88
জাঁকজমকে খামতি রাখতে নারাজ উদ্যোক্তারা
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন সত্ত্বেও উৎসবের জাঁকজমকে কোনও ভাটা পড়বে না বলেই দাবি করছেন পুজো উদ্যোক্তারা। সন্তোষপুর লেক পল্লীর মতো পুজো কমিটিগুলি জানিয়েছে, প্রায় ১ কোটি টাকার বাজেটে ঐতিহ্য বজায় রেখেই পুজো হবে।