
West Bengal Job Scam: পুরসভায় নিয়োগ-দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুজিত বসু ও রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। শুক্রবার এই দুই মন্ত্রীকে তলব করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুজিতকে সোমবার এবং রথীনকে বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলা পুরনো। এর আগেও তদন্তে ইডি-র সক্রিয়তা দেখা গিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে রথীনকে জেরা করা হয়েছিল। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালিয়েছিল ইডি। ২০২৪ সালের জানুয়ারি এবং ২০২৫ সালের অক্টোবরে সুজিতের দফতর ও বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। রাজ্যের এই প্রভাবশালী মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজনের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। এবার দুই মন্ত্রীকে ইডি দফতরে তলব করা হল।
রাজ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে গ্রেফতার করে অপর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই (CBI)। সল্টলেকে তাঁর দফতরে তল্লাশি চালিয়ে ওএমআর শিট বাজেয়াপ্ত করেন সিবিআই আধিকারিকরা। এই তদন্তের সময়ই পুরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি সংক্রান্ত নথি পান কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। পুরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে যে পরীক্ষা হয়েছিল, তার ওএমআর শিটও অয়নের সংস্থার দায়িত্বে ছিল। এই দুর্নীতির তদন্তে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠায় সিবিআই-এর পর তদন্ত শুরু করে ইডি।
পুরসভায় নিয়োগ-দুর্নীতির মামলায় সিবিআই-এর পেশ করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, অয়নের দুই সহযোগীর মাধ্যমে বেশ কয়েকজনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। শুধু কলকাতা পুরসভাই নয়, রাজ্যের আরও ১৫টি পুরসভায় বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly election) মুখে এই দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে ফের রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল শুরু হয়েছে। শাসক দলকে আক্রমণ করছে বিরোধীরা।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।