Fire Crackers Safety: আলোর উৎসবের আগে বাজি বাজারে প্রশাসনের কড়া নজরদারি, ঝুঁকি নিতে নারাজ সরকার

Published : Nov 05, 2026, 12:54 PM IST

Fire Crackers Rules: চোরবাগান কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কালীপুজোর আগে শহীদ মিনার বাজি বাজারে প্রশাসনের কড়া নজরদারি। পরিদর্শনে পুলিশ ও দমকলের শীর্ষ কর্তারা। বাজি পোড়ানো ও বিক্রিতে কী কী নির্দেশিকা জারি করল পুলিশ? দেখুন ফটো গ্যালারিতে।।

PREV
15
আলোর উৎসবে বাজি পোড়ানোয় সতর্ক প্রশাসন

কালীপুজো ও দীপাবলির আগে শহীদ মিনার ময়দানের বাজি বাজার পরিদর্শন কলকাতা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের। দমকলের ডিজি এবং রাজ্যের দমকলমন্ত্রী। চোরবাগান কাণ্ডের পর এবছর বাজি বাজারের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। বাজারে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে স্টলগুলির নিরাপত্তা, সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।

25
বাজি পোড়ানো নিয়ে কী বলছে আদালত?

আদালতের নির্দেশ মেনে এবছর শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি বিক্রি ও ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ শব্দবাজি। পাশাপাশি বাজি ফাটানোর সময়সীমাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। রাত আটটা থেকে দশটা পর্যন্ত, অর্থাৎ মাত্র দু'ঘণ্টা বাজি ফাটানো যাবে। দূষণমুক্ত পরিবেশে উৎসব পালন নিশ্চিত করতে তৎপর রাজ্য সরকার।

35
শহীদ মিনার ময়দানের বাজি বাজারে নিরাপত্তায় জোর

শহীদ মিনার ময়দানের বাজি বাজারে অগ্নিকাণ্ডের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে দমকল বিভাগ। বাজারের মাঝখানে বসানো হয়েছে তিনটি মনিটর ব্রাঞ্চ। এই বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে আগুন লাগলে দূরবর্তী স্থান পর্যন্ত জল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। পাশাপাশি বাজারে রাখা হয়েছে সাতটি ফায়ার টেন্ডার। নজরদারির জন্য থাকছে ফায়ার বাইকও।

45
বাজি বাজার পরিদর্শন প্রশাসনের আধিকারিকদের

বাজি বাজার পরিদর্শন শেষে দমকলমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী জানান, বাজারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে যৌথ পরিদর্শন দল তৈরি করা হয়েছে। পুজোর শুরুতেই দমকল বিভাগের তরফে স্টল মালিকদের নির্দিষ্ট এসওপি বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশিকা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পরিদর্শন। মানুষের যাতায়াত যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে বাজারের কিছু ব্যবস্থায় পরিবর্তন করা হবে বলেও জানান তিনি।

55
প্রশাসনের নির্দেশ মেনে পরিবেশবান্ধব বাজি বিক্রিতে অনুমতি

বাজি বাজারের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন বড়বাজার বাজি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শান্তনু দত্তও। তিনি জানান, ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বাজি বাজার। সকাল আটটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত খোলা থাকবে বাজার। বাজারে মোট ৩৯টি স্টল রয়েছে। তবে অংশগ্রহণ করছেন ৪০ জন বিক্রেতা। একটি স্টলকে দু'ভাগে ভাগ করে ব্যবসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব বাজি বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি স্টলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা বাধ্যতামূলক। স্টলগুলির মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব, জল ও বালির বস্তার ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল। পাশাপাশি বাজারে পর্যাপ্ত আলো, পানীয় জল এবং শৌচালয়ের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হচ্ছে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories