রবিবারের পর সোমবারও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ঘিরে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। দেখানো হল কালো পতাকা। সোমবার সকালে কালীঘাট মায়ের মন্দিরে পুজো দিতে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে কালো পতাকা হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখান একদল বিক্ষোভকারী। সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমার সকালে মন্দিরে পুজো দিয়ে ঢোকার আগেই সেখানে কালো পতাকা আর ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিক্ষোভকারীরা। জ্ঞানেশকে দেখা মাত্রই ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়।
25
নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে ক্ষোভের আগুন
সূত্রের খবর, এদিন সকালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গেলে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ঘিরে ওঠে ‘গো ব্যাক স্লোগান’। এমনকি আগে থেকেই সেখানে কালো পতাকা নিয়ে জড়ো হয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। যদিও বিক্ষোভের মধ্যেই হাসিমুখেই মন্দিরে ঢুকতে দেখা যায় জাতীয় নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে।
35
কালীঘাটে পুজো দিলেন জ্ঞানেশ কুমার
তিন দিনের সফরে রাজ্যে এলেও এদিন সকালে একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দেন দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। বিক্ষোভকারীদের গো-ব্যাক স্লোগানে বিচলিত না হয়ে বরং খোশমেজাজে মন্দিরে ঢুকে মা কালীর আরাধনা করেন। এবং বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেও তিনি বলেন, ‘মা কালী পশ্চিমবঙ্গের সকল ভাইবোনদের ভালো রাখুক।’
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে সিইসি ৮ মার্চ থেকে ১০ মার্চ তিন দিনের সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন। এই সফরের সময়, রয়েছে নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। আসন্ন ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করবে। তারা সকল রাজনৈতিক দল, ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং পুলিশের সঙ্গে দেখা করবেন।
55
এসআইআর ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কী বলছেন জ্ঞানেশ কুমার?
গতকাল তিনি বলেছিলেন, '২২ বছর আগে কেরালা আমার কর্মভূমি ছিল। এখন আমি আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে এখানে ফিরে এসেছি। সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং সমগ্র নির্বাচনী যন্ত্রপাতি আশ্বস্ত করেছে যে কেরালার আসন্ন নির্বাচন কেবল দেশের জন্য নয়, বরং বিশ্বের জন্য মডেল হতে চলেছে'। এবার বাংলায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি সহযোগিতা করতে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন।