KMC Durga Puja: অনুমতি ছাড়া যততত্র বিজ্ঞাপন-হোর্ডিংয়ে 'না', দুর্গাপুজোর বিজ্ঞাপনে KMC-এর NOC মাস্ট!

Published : Sep 18, 2026, 05:34 PM IST
Durga Puja advertisement

সংক্ষিপ্ত

KMC On Durga Puja: দুর্গাপুজোয় এবারে যততত্র বিজ্ঞাপনে না। কতটা উঁচু হবে বিজ্ঞাপন? ফেলক্স বসাতে কাদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে? জানিয়ে দিলো কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

KMC On Durga Puja: দুর্গাপুজোর আগে কলকাতার রাস্তায় ব্যানার, ফ্লেক্স, হোর্ডিং কিংবা বিজ্ঞাপনের গেট বসাতে গেলে এবার কলকাতা পুরসভার NOC বাধ্যতামূলক। অনুমতি ছাড়া কোনও অস্থায়ী বিজ্ঞাপন কাঠামো রাস্তায় বসানো যাবে না। পুজোর অস্থায়ী বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

কবে আবেদন করতে হবে?

পুজো কমিটিগুলিকে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে NOC-এর জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদন নেওয়া হবে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট পুরসভা দফতরে। শুধু পুজোর নাম জানালেই হবে না। কোথায় বিজ্ঞাপন বসবে, কতটা বড় হবে, কী ধরনের কাঠামো হবে— সেই সমস্ত তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রাস্তা, ওয়ার্ড, বরো নম্বর এবং বিজ্ঞাপনের কাঠামোর ধরনও উল্লেখ করতে হবে। অনুমতি পাওয়ার পর পুজো কমিটিকে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট NOC বা ID নম্বর। সেই নম্বর বিজ্ঞাপনের গায়েও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

৩ অক্টোবরের আগে বিজ্ঞাপন নয়

এবার বিজ্ঞাপন লাগানোর ক্ষেত্রেও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে পুরসভা। ৩ অক্টোবরের আগে কোনও অস্থায়ী পুজোর বিজ্ঞাপন বসানো যাবে না। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে হবে এবং পুজো পর্ব শেষ হওয়ার পর ২৯ অক্টোবরের মধ্যে অস্থায়ী বিজ্ঞাপন কাঠামো সরিয়ে ফেলতে হবে।

কারণ, পুজো শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও শহরের বিভিন্ন রাস্তায় মাসের পর মাস বাঁশের কাঠামো, ফ্লেক্স ও হোর্ডিং পড়ে থাকার অভিযোগ রয়েছে। গত বছরও নির্ধারিত সময়ের পর প্রায় ৩০০টি পুজোর হোর্ডিং পুরসভার কর্মীদের সরাতে হয়েছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ ফুটের বেশি উঁচু করা যাবে না

শুধু সময়সীমা নয়, বিজ্ঞাপনের কাঠামোর উচ্চতাতেও রয়েছে নিয়ম।

মাটি থেকে সর্বোচ্চ ২২ ফুট পর্যন্ত অস্থায়ী কাঠামো করা যাবে। তার বেশি উচ্চতায় বাঁশের কাঠামো বা অন্য কোনও অস্থায়ী স্ট্রাকচার তৈরি করা যাবে না।

কোন কোন জায়গা ঢেকে বিজ্ঞাপন নয়?

বিজ্ঞাপন লাগাতে গিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো যাতে ঢাকা না পড়ে, সেদিকেও নজর দিয়েছে KMC।

রাস্তার নামের ফলক, গুরুত্বপূর্ণ সাইনেজ, অনুমোদিত স্থায়ী হোর্ডিং, দোকানের সাইনবোর্ড—কোনওটাই ঢেকে দেওয়া যাবে না।

পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলে বাধা তৈরি করা যাবে না।

ঢেকে দেওয়া যাবে না রাস্তার আলো, বাসস্ট্যান্ড বা যাত্রী ছাউনির দৃশ্যমানতা।

এমনকী রাস্তার ডিভাইডার বা মিডিয়ান ভার্জেও অস্থায়ী হোর্ডিং বসানো যাবে না।

বিজ্ঞাপনেই দিতে হবে পুজোর পরিচয়

এবার বিজ্ঞাপনের গায়েও একাধিক তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

থাকতে হবে—

পুজো কমিটির নাম ও ঠিকানা, ফোন নম্বর, পুজোর রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং KMC-এর NOC নম্বর।

অর্থাৎ রাস্তায় কোনও বিজ্ঞাপন দেখেই বোঝা যাবে, সেটি কোন পুজো কমিটির এবং পুরসভার অনুমোদন রয়েছে কি না।

কেন এত কড়া নিয়ম?

দুর্গাপুজোর সময় কলকাতার রাস্তাঘাট ও ফুটপাথে বিপুল সংখ্যায় বিজ্ঞাপন দেখা যায়। কিন্তু পুজো শেষ হওয়ার পরেও অনেক ক্ষেত্রে সেই কাঠামো থেকে যায়।

ফলে একদিকে যেমন শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হয়, অন্যদিকে অস্থায়ী কাঠামোর কারণে পথচারী ও যান চলাচলেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পুরসভার অভিযোগ, বারবার বলা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের কাঠামো সময়মতো সরানো হয়নি। শেষ পর্যন্ত পুরসভার কর্মীদেরই গিয়ে সেগুলি সরাতে হয়েছে।

নিয়ম ভাঙলে কী হতে পারে?

তাই এবার অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন কাঠামো বসালে সেটিকে অননুমোদিত বিজ্ঞাপন হিসেবে ধরা হতে পারে।

KMC-এর বিজ্ঞাপন নীতি অনুযায়ী নিয়ম না মানলে জরিমানা, বিজ্ঞাপন সরানোর খরচ নেওয়ার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী পদক্ষেপও হতে পারে।

অর্থাৎ এবার পুজোর বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে শুধু বিজ্ঞাপন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করলেই হবে না।

আগে KMC-এর NOC, তারপর বিজ্ঞাপন। নির্দিষ্ট সময়ের আগে নয়, আর সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও রাস্তায় পড়ে থাকা চলবে না।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Partha Chatterjee: জামিনের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ, ফের আইনি বিপাকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়
Suvendu On Mamata: 'অতি দর্পে হত লঙ্কা', তৃণমূলের 'প্রতীক' হাতছাড়া হতেই মমতাকে বেনজির আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীর