
Kolkata Crime News: দ্বিতীয় দফায় ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যজুড়ে বাড়ছে কড়াকড়ি। রাজ্যের শাসকদলের এক কাউন্সিলর সহ গত দেড় দিনে ১,৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১,০৯৫ জন গ্রেফতার হয়েছে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকালের মধ্যেই।
এরা সকলেই আগামী বুধবার রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোটে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মূলত দ্বিতীয় দফার ভোটে ভোটারদের ভয় মুক্ত করতে জেলায় জেলায় এ ধরনের অভিযান চালায় বাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে। অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে এই আশঙ্কা থেকে পূর্ব বর্ধমানের এক কাউন্সিলর নাড়ু ভাগাত কে গ্রেফতার করা হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার দুপুর থেকে আজ সকাল পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার বিধানসভা কেন্দ্রওয়ারি গ্রেফতারির সংখ্যা হল- নদীয়া ৩২, পূর্ব বর্ধমান ৪৭৯, হুগলি ৪৯, হাওড়া ৩২, উত্তর ২৪ পরগনা ৩১৯, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৪৬ এবং কলকাতা উত্তর ১০৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিকে, আরামবাগে ভোটের শেষ লগ্নে রণক্ষেত্র! সাংসদ মিতালী বাগের গাড়িতে বাঁশ নিয়ে হামলা—প্রাণে মারার চেষ্টা? কারা চালাচ্ছে এই সন্ত্রাস? ভোটের প্রচারের একদম শেষ মুহূর্তে আরামবাগ যেন পরিণত হল অশান্তির আগুনে। আরামবাগের পল্লীশ্রীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর হেলিপ্যাড থেকে রোড শো শুরুর কথা, সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই চরম উত্তেজনা। সেই মোতাবেক গোঘাট থেকে সরকারি গাড়িতে করে আরামবাগের উদ্দেশ্যে রওনা দেন সাংসদ মিতালী বাগ।
কিন্তু মাঝপথেই আতঙ্ক! গোঘাটের কাটালি এলাকায় হঠাৎই দুষ্কৃতীদের হামলা—বড় বাঁশ নিয়ে গাড়ি ঘিরে বেপরোয়া আক্রমণ, দফায় দফায় ভাঙচুর! প্রশ্ন উঠছে—এ কি শুধুই ভাঙচুর, নাকি সরাসরি প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা?
সাংসদের অভিযোগ সরাসরি ভারতীয় জনতা পার্টি-র দিকে—“ওরাই হামলা করেছে, ওরাই আমার গাড়ি টার্গেট করেছে।” অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে প্রথম দফার মত দ্বিতীয় দফাতেও সাইলেন্স পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগেই সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় অশান্তি বাধাতে পারে এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী বুধবার ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। সোমবার সন্ধ্যে ছটা থেকেই শুরু হবে সাইলেন্স পিরিয়ড।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।