
Kolkata SIR Final Voter List: এ যেন একেবারে উল্টপূরাণ। কলকাতার শহরের কোথাও যেটা হয়নি, এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকার পর সেটাই দেখা গেল বালিগঞ্জে। কলকাতার একমাত্র বিধানসভা হিসেবে নজির গড়ল বালিগঞ্জ। যেখানে শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও এটা অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা। কমিশনের ওয়েবসাইটে সরকারি ভাবে এখনও কোনও পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। রাজ্যের সব জেলা জুড়েই হাহাকার, নাম বাদ যাওয়া নিয়ে। শুধু শহর কলকাতায় বাদ গিয়েছে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ভোটারের নাম। কিন্তু SIR-এর পর দেখা যাচ্ছে বালিগঞ্জ বিধানসভায় নাম বাদ যাওয়ার বদলে নতুন নাম যোগ হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বাবুল সুপ্রিয়র কেন্দ্রে ভোটার তালিকায় ৬৭৯ জনের নাম যোগ হয়েছে। খসড়া তালিকায় বালিগঞ্জ বিধানসভায় বাদ যাওয়ার পরে ভোটার ছিল ১ লক্ষ ৯০ হাজার ২৫ জন। এখন দেখা যাচ্ছে ৬৭৯ জন ভোটারের নাম যোগ হওয়ার পরে চূড়ান্ত তালিকায় নাম রয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৭০৪ জন।
শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল, মোট ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে। তবে আরও ১৪ হাজারের বেশি নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। ফলে আরও নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা থেকে মোট বাদ গিয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ভোটারের নাম। তার মধ্যে শুধু উত্তর কলকাতাতেই বাদ গিয়েছে ৪ লক্ষ ৭ হাজার ভোটারের নাম। দক্ষিণ কলকাতা থেকে মোট ২ লক্ষ ১৯ হাজার ২০৭ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। ৩২০৭ জন জনের নাম রয়েছে ডিলিটেড তালিকায়।
শনিবার, রাজ্যে প্রকাশিত হয়েছে এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকা। জেলায় জেলায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে তালিকা। এখনও পর্যন্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে প্রায় ৬৫ লক্ষ৷ ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নথি যাচাই ও নিষ্পত্তি বাকি রয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির গেরোয় ঝুলছে এই সব ভোটারের ভাগ্য। হুগলি জেলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে হুগলি জেলায় মোট ভোটার ছিল 47 লক্ষ 75 হাজার 99 জন।এসআইআর এর প্রথম পর্যায় খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে সেখান থেকে নাম বাদ যায় 3 লক্ষ 18 হাজার 853 জনের।
নির্বাচন কমিশনের মূল ওয়েবসাইট eci.gov.in, রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইট ও ইসিআই নেট অ্যাপে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা দেখা যাবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ও অ্যাপে গিয়ে নিজের নাম আর এপিক নম্বর বা ভোটার কার্ডের নম্বর দিলে ভোটাররা দেখতে পাবেন কমিশনের তালিকায় কী অবস্থায় রয়েছে নাম। কোনও সমস্যা না থাকলে স্বাভাবিকভাবেই নাাম উঠে আসবে। যদি এখনও যাচাই না হয় তাহলে নামের নিচে লেখা থাকবে অ্যাডজুডিকেশন বা বিচারাধীন। কারও নাম মুছে দেওয়া হলে লেখা থাকবে ডিলিটেড।