
বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কলকাতা হাইকোর্টে গেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাবনীপুর কেন্দ্রের নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টে উপস্থিত হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর জয়কে চ্যালেঞ্জ করেই তিনি হলফনামা দাখিল করেছেন।
এর আগে ২০২৬ সালের ১৪ মে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবার ভোট পরবর্তী অশান্তির মামলায় সওয়াল করতে গিয়েছিলেন। সেবার আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁখএ। এজলাস থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বের হওয়ার সময় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সেখানেই তাঁকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর প্রায় ১ মাস পরেই ১৬ জুন মমতা আবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন।
কোর্ট থেকে বেরিয়ে আসার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেননি। তিনি শুধু বলেছেন, 'কুণাল সব বলবে'। জানা যাচ্ছে, ভবানীপুর নিয়ে ইলেকশন পিটিশন করেছেন তৃণমূল নেত্রী। জানা যাচ্ছে এই বিষয়ে হলফনামা দাখিল করেছেন। মমতার সঙ্গে হাইকোর্টে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ ও দোলা সেন। আদালতের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে গাড়়িতে করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান মমতা।
এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে শুভেন্দুর কাছে পরাস্ত হন মমতা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়ে দেন শুভেন্দু। এ বার সেই নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে হলফনামা দাখিল করলেন মমতা। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটেও নন্দীগ্রাম থেকে মমতাকে হারান শুভেন্দু। সেই বারও নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করেছিলেন মমতা। ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম মামলা এখনও বিচারাধীন। এ বার ২০২৬ সালের ভবানীপুরের ফলকে চ্যালেঞ্জ করেও আদালতে গেলেন মমতা। পাশাপাশি রাজারহাট নিউটাউন বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়ও নির্বাচনী ফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।