Sreelekha Mitra: একটা ছবি হাতে নিয়েই সংবাদ শিরোনামে বাঙালি অবিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। শুরু হয়েছে দেশজোড়া রাজনৈতিক তরজা। ককরোচের আন্দোলনে গিয়ে কী এমন করলেন তিনি? বিস্তারিত জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
ধর্মতলায় ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গিয়েছিলেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় তার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। যা নিয়ে সরব হয়েছে বাংলার শাসক শিবির বিজেপি। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে রাজ্যের একাধিক থানায় দায়ের হয়েছে এফআইআর। ফলে আইনি জটিলতায় পড়েছেন শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)।
25
কেন এই বিতর্কের সূত্রপাত?
আরজি.কর আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অতীতে একাধিক মন্তব্য করে আগেও বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি আর বিতর্ক নতুন কিছু না হলেও এবার বেশ বিপাকে পড়েছেন টলিউড অভিনেত্রী। বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ( Pm Modi) একটি ছবি। শ্রীলেখার হাতে থাকা ওই ছবির পোস্টার মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তারপরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। একজন নাগরিক হিসেবে কীভাবে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর কুরুচিপূর্ণ ছবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে নামলেন? তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।
35
কী ছবি পোস্ট করে বিতর্কে শ্রীলেখা মিত্র?
জানা গিয়েছে, ধর্মতলায় ককরোচ পার্টির আন্দোলনে সামিল হন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সেখানে তার হাতে একটি পোস্টার দেখা গিয়েছে। প্রতিবাদস্বরূপ ওই পোস্টারে রয়েছে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কর্দয ছবি। আর এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তৈরি রাজনৈতিক বিতর্ক। শ্রীলেখা মিত্রের গ্রেফতারির দাবিতে সরব একাংশ। ক্ষোভে ফুঁসছে বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অনেকেই আবার শ্রীলেখা মিত্রর বাড়ির সামনে গিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
শ্রীলেখার বিরুদ্ধে একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির তরফে
ছাত্র আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করার অভিযোগ অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর। তার কুরুচিকর মানসিকতার বিরুদ্ধে শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের এক অধ্যাপকের। অভিযোগ দায়ের হয়েছে রাজ্যের একাধিক থানাতেও। একজন অভিনেত্রী মানে শিল্পী তাকে অনুকরণ করে থাকেন অনেকেই তার কাছ থেকে এ ধরনের নোংরা মানসিকতা কার্যত সমাজের অবক্ষয়ের কারণ বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ ।
55
অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর সাফাই
যদিও বিষয়টি সম্পর্কে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সাফাই গেয়েছেন। তিনি বাড়ি থেকে সেই ছবি নিয়ে যাননি অর্থাৎ পক্ষান্তরে ছাত্রদের ঘাড়ে চাপিয়েই দায় সারতে চেয়েছেন। কিন্তু, ভারতের প্রধানমন্ত্রী একটি সাংবিধানিক সম্মানের পদ সেক্ষেত্রে শুধু ছবি হাতে ধরা এই নয় এমনকি তিনি সামাজিক মাধ্যমেও সেই ছবি শেয়ার করেছেন অর্থাৎ সুচিন্তিত ভাবে দ্বিতীয়বারের জন্য ইচ্ছাকৃত ভুল করেন। তার অনিচ্ছাকৃত এই ত্রুটি হলে তিনি ক্ষমা চাইতে পারতেন কিন্তু অতিবাম হওয়ার কারণেই ঔদ্ধত্য এতটাই বেশি বরং একাধিকবার নানান বিষয়ে সাহসী এবং বিতর্কিত মন্তব্য লক্ষ্য করা যায় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকদের একটি বড় অংশ। আর তাতেই শ্রীলেখার সাফাইয়ে কর্ণপাত না করে তার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা।