বাংলায় সরকারি হাসপাতালগুলিতে বেহাল দশা স্বাস্থ্য পরিষেবার। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে অনেক সময় মেলে না বেড। মেঝেতে শুয়েই চিকিৎসা চলে রোগীদের। এই নিয়ে রয়েছে ভুড়ি ভুড়ি অভিযোগ। পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে শুক্রবার রাজ্যের সবথেকে বড় সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল SSKM-এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই বিষয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
26
স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?
শুক্রবার এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি যে নির্দেশগুলো দিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে-রোগী কল্যাণ সমিতিতে পলিটিকাল লোক রাখা চলবে না। বৈধ আইডি কার্ড দিতে হবে ৩১ মে'র মধ্যে।
36
হাসপাতালে ঢুকতে বাধ্যতামূলক আইডি কার্ড
জানা গিয়েছে, আগামী ৩১ মে-র মধ্যে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য সচিত্র রঙিন পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে হাসপাতালে বহিরাগত বা দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা সহজ হবে। ডাক্তার ও স্টাফেদের জন্য আলাদা কার্ড থাকবে বলেও জানানো হয়েছে ওই বৈঠকে।
হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়াতে হবে। এস এস কে এম এ আগে সেই শয্যা সংখ্যা বাড়াতে হবে। দালাল রাজ বন্ধ করার নির্দেশ। অ্যাম্বুলেন্স চক্র ভাঙতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে, হাসপাতালে বেড না পাওয়ার সমস্যা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী সেন্ট্রাল মনিটরিং সিস্টেম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্য, জেলা এবং কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের বেড সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য একটি কেন্দ্রীয় পোর্টালে থাকবে।
56
অ্যাম্বুলেন্সে এবার থেকে জিপিএস
অ্যাম্বুলেন্সকে জিপিএস লাগাতে হবে। ট্র্যাকিং হবে সব অ্যাম্বুলেন্স। কেন্দ্রীয় হসপিটালের বেড নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি হবে। প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের ফাঁকা বেড সরকারি হাসপাতালে ব্যবহৃত হবে বলেও এদিনের বৈঠক থেকে স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি।
66
রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং
এবার থেকে রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং হবে। রোগী কল্যাণ সমিতি চালু রাখতে হবে। পলিটিকাল লোক রাখা চলবে না। হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত না এমন লোক রাখবেন না। অবৈধ স্ট্রাকচার থাকলে হসপিটাল ভাঙতে হবে হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের পুনর্গঠন করতে হবে। আর এই রিয়েল টাইম ট্র্যাকিংয়ের সাহায্যে কোথায় কয়টি বেড আছে তা সরাসরি দেখতে পারবেন রোগীর পরিজনরা।