
Ritabrata Banerjee vs Mamata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) শিবিরকে টেক্কা দিয়ে কলকাতার মেট্রোপলিটন অঞ্চলে দলীয় দফতর নিজেদের দখলে নিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। শুক্রবার সন্ধেবেলা মেট্রোপলিটনে তৃণমূল কংগ্রেসের দফতরে যান ঋতব্রত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান, আখরুজ্জামানের মতো নেতারা। তাঁরা এই দফতরে আলোচনায় বসেন। এই দফতর বিদ্রোহী শিবিরের দখলে চলে যাওয়ার খবর পেয়ে এই দফতরে পৌঁছন মমতাপন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর বিধানসভা অঞ্চল বেলেঘাটার মধ্যেই পড়ে এই দলীয় দফতর। এই কারণেই ঋতব্রতদের হাত থেকে দলীয় দফতরের দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন কুণাল। কিন্তু তাঁর পক্ষে এই দফতরের দখল নেওয়া সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে সংশয় তৈরি হয়েছে।
মেট্রোপলিটনের দলীয় দফতরের দখল নেওয়ার পর সেখানে কিছুক্ষণ থেকে বাইরে থেকে তালা দিয়ে চাবি নিয়ে চলে যান ঋতব্রতরা। তারপর সেখানে যান কুণাল। তিনি দলের বিদ্রোহী শিবিরের পাশাপাশি বিজেপি (BJP) ও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, ‘দখলদারির সংস্কৃতি চলছে। রাজ্য সরকার ও পুলিশের প্রত্যক্ষ মদতে একজন বহিষ্কৃত বিজেপি-র বি টিম হয়ে নেমেছে।’ পাল্টা বিধায়ক আখরুজ্জামান বলেছেন, 'আমরাই তৃণমূল। এটা আমাদের কার্যালয়। এই কার্যালয়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে।' মেট্রোপলিটনের এই দফতরে মমতার ছবি আছে। সেই ছবি সামনে রেখেই দফতর দখলে নিয়েছেন ঋতব্রতরা। তাঁরা নিজেদের মমতার অনুগামী বলে দাবি করেছেন। মমতাকে সামনে রেখেই নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যেতে চাইছেন তাঁরা।
মেট্রোপলিটনে তৃণমূল কংগ্রেসের এই দফতর নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন এই ভবনের মালিক। যদিও ঋতব্রতপন্থীদের দাবি, তাঁরা মালিকের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এই ভবনের ভাড়া নিয়েও কথা হয়েছে। সমস্যা মিটিয়ে নিয়ে তাঁরা এই দফতর নিজেদের দখলে রাখতে চান।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।