
SLST Protest News: SLST-2 বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল কলকাতার সল্টলেকের করুণাময়ী চত্বর। বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে বিকাশ ভবন অভিযান কর্মসূচি নেন আন্দোলনকারী চাকরি প্রার্থীরা। বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দেন চাকরি প্রার্থীরা। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, SLST-2 পরীক্ষায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ১০ নম্বরের নিয়ম বাতিল করতে হবে।
SLST 2 পরীক্ষার মাধ্যমে up-to-date শুন্যপদের সংখ্যা প্রকাশ করে তাতে নিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি ২০১৬ সালের প্যানেল তালিকা প্রকাশ এবং হাইকোর্ট এর নির্দেশ মেনে পরীক্ষার OMR শিট জনসমক্ষে আনতে হবে, যাতে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসে। আন্দোলনকারীদের দাবি, বছরের পর বছর ধরে তাঁরা চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আজও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের। প্রশাসনের তরফে বারবার আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনও সমাধান হয়নি—এই অভিযোগ চাকরি প্রার্থীদের। করুণাময়ী মেট্রো স্টেশন থেকে নামা মাত্রই পুলিশের বাধায় আটকে পড়েন আন্দোলনকারীরা। করুণাময়ী মেট্রো স্টেশন চত্বরেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক চাকরি প্রার্থীকে আটক করে পুলিশ।
সূত্রের খবর, এসএলএসটি টু বঞ্চিত ফ্রেশার্স চাকরি প্রার্থীদের ডাকে সোমবার বিকাশভবন অভিযান ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। করুণাময়ী থেকে মিছিল করে বিকাশভবনের দিকে এগোনোর সময় আন্দোলনকারীদের বাধা দেয় বিধাননগর পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর দু জন চাকরি প্রার্থীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আন্দোলনকারীরা বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছ নিয়োগ, শূন্যপদের সঠিক হিসাব প্রকাশ এবং ওএমআর জনসমক্ষে আনার দাবিতে এই কর্মসূচি নিয়েছিলেন। আটক প্রার্থীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ তীব্র হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নজরদারি।
প্রসঙ্গত, ১০ বছর পরও অধরা চাকরি। হকের চাকরির দাবিতে সোমবার ,সপ্তাহের প্রথম দিনই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় করুণাময়ী চত্বর। বিক্ষোভকারী চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, ১০ বছর পর এসএলএসটি পরীক্ষা নেওয়া হলেও ওই পরীক্ষায় বসেছিলেন ২০১৬-র প্যানেলের বাতিল হওয়া চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
ফলে পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোলেও তারা ইন্টারভিউয়ের ডাক পাননি। কারণ, চাকরিহারা প্রার্থীদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ১০ নম্বর দেওয়া হয়েছে। যেটা তাদের নেই বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ফলে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য- কমিশনের দেওয়া অতিরিক্ত ১০ নম্বর বাতিল করতে হবে। এবং আসন সংখ্যা আরও ১ লক্ষ বাডা়তে হবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ওএমআর শিট প্রকাশেরও দাবি জানান তারা।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।