
LPG Crisis Update: রাজ্যে রান্নার গ্যাসের অভাব নেই। কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করা হয়েছে। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন হাওড়ার এক রেস্তোরাঁর মালিক। কোনা এক্সপ্রেসওয়ের পাশে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁর মালিক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেছেন, 'রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের কোনও অভাব নেই। কালোবাজারি চলছে। ডিলার বা ডিস্ট্রিবিউটররা তাদের কাছের লোকজনকে দিয়ে বেআইনিভাবে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে রাখছে। তার ফলে বাড়িতে সাধারণ রান্নার গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনই আমাদের মতো রান্নার গ্যাসের বাণিজ্যিক সিলিন্ডারও পাওয়া যাচ্ছে না। করোনার (COVID-19) সময় যেমন চালের মজুতদাররা বিপুল লাভ করেছিল, এখন ঠিক সেভাবেই রান্নার গ্যাসের ডিলাররা লাভ করছে। পুলিশ-প্রশাসন যতদিন না ব্যবস্থা নেবে, ততদিন এই সমস্যা মিটবে না।'
এই রেস্তোরাঁ মালিক বলেছেন, 'ধরুন আমি রান্নার গ্যাসের ডিলার। আমি কয়েকজনকে বললাম, তোদের বাড়িতে ১০টা করে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার রেখে দে। গ্রাহকরা যখন আমার কাছ থেকে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার চাইছেন, তখন আমি বলছি আমার কাছে সিলিন্ডার নেই। এরপর কেউ এসে বলল, বেশি টাকা দিতে হলেও দেব, আমাকে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার জোগাড় করে দিন। আমি তখন তাঁকে বললাম, দ্বিগুন দাম লাগবে। তিনি রাজি হলে যাদের বাড়িতে আমি সিলিন্ডার মজুত করে রেখেছি, তাদের একজনকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়ে আসতে বললাম। এভাবেই কালোবাজারি চলছে।'
এই রেস্তোরাঁ মালিক আরও বলেছেন, 'আমার কাছে দুটো সিলিন্ডার আছে। শেষ হয়ে গেলে কী হবে জানি না।' কারা কালোবাজারি করছে? এ বিষয়ে তিনি কারও নাম করতে নারাজ। কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, 'জানেনই তো, রাজনৈতিক দলের মদত ছাড়া এসব হয় না। কোন দলের নেতা-নেত্রীরা এসবের সঙ্গে যুক্ত, সেটাও সবাই জানে। আমি কারও নাম বললে তারপর যদি আমার রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে যায়, তখন কী করব?' কালোবাজারি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনে রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার কথাও ভাবছেন তিনি।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.