মদ্যপান করা নিয়ে বিবাদের জের, পুরুলিয়ায় ভাইকে 'খুন' করে 'আত্মঘাতী' দাদা

Published : Jul 03, 2020, 06:24 PM IST
মদ্যপান করা নিয়ে বিবাদের জের, পুরুলিয়ায় ভাইকে 'খুন' করে 'আত্মঘাতী' দাদা

সংক্ষিপ্ত

মদের নেশা ডেকে আনল বিপর্যয় ভাইকে কুড়ুলের আঘাতে 'খুন' করল দাদা অনুশোচনায় আত্মঘাতী অভিযুক্তও শোকের ছায়া পুরুলিয়ার ঝালদায়   

 মদ খাওয়া নিয়ে বচসার জেরে ঘটল বিপর্যয়। ভাইকে খুন করে আত্মহত্যা করল দাদা! জোড়া মৃত্যুতে শোকের ছায়া পুরুলিয়ার ঝালদায়। এলাকায় বেআইনি মদের ব্যবসা বন্ধ করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 

আরও পড়ুন: স্বামী-সন্তান উধাও, নবদ্বীপে ভাড়াবাড়িতে গৃহবধূর মৃত্যুতে ঘনাচ্ছে রহস্য

পুরুলিয়ার ঝালদার তোরাং গ্রামে থাকতেন রবিন নাপিত ও কালিদাস নাপিত। সম্পর্কে তাঁরা দুই ভাই।  রবিন প্রায় দিনই আকণ্ঠ মদ্যপান করে বাড়ি ফিরতেন। এই নিয়ে দাদা কালিদাসের সঙ্গে ঝামেলাও লেগে থাকত তাঁর। অন্তত তেমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি চরমে পৌঁছয় বুধবার রাতে।  প্রতিবেশীদের দাবি,  মদ খাওয়া যখন বচসা চলছিল, তখন রাগের মাথায় কুড়ুল দিয়ে রবিনের মাথায় সজোরে আঘাত করেন কালিদাস। মাটি লুটিয়ে পড়েন আক্রান্ত যুবক। এরপরই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত কালিদাস। হাসপাতালে নিয়ে গেলে, রবিনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে রেললাইন থেকে উদ্ধার হয় কালিদাস নাপিতের দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ভাইকে খুন করার অনুশোচনায় রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। দুটি মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।    

আরও পড়ুন: এবার করোনায় আক্রান্ত লকেট চট্টোপাধ্যায়, কোথা থেকে সংক্রমণ

স্থানীয় সূত্রে খবর, চার ভাইয়ের মধ্যে কালিদাসই ছিল বড়। আর রবিন ছিল সবার ছোট। তাঁদের বয়সের ব্যবধান পঁচিশ বছর। দুই ভাইয়ের এমন পরিণতিতে শোকের ছায়া নেমেছে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, আবগারি দপ্তর যদি বেআইনি মদের ব্যবসা বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে অনেক পরিবারই পথে বসবে।

PREV
West Bengal news today (পশ্চিমবঙ্গের লাইভ খবর) - Read Latest west bengal News (বাংলায় পশ্চিমবঙ্গের খবর) headlines, LIVE Updates at Asianet News Bangla.
click me!

Recommended Stories

Ajker Bangla News Live: 'বিদেশনীতি দেশের স্বার্থে', তারিক রহমানের শপথ পরশু; নাও যেতে পারেন মোদী
'প্রেম দীর্ঘজীবী'! Valentines Day নজিরবিহীন পোস্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের