এবার বিজেপিতে করোনার হানা। করোনায় আক্রান্ত হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। নিজেই তাঁর করোনা আক্রান্ত  হওয়ার খবর টুইটারে জানিয়েছেন বিজেপির এই লড়াকু নেত্রী। তিনি জানান, গত সপ্তাহ ধরে তার শরীর জ্বর ছিল। পরীক্ষা করতেই তাঁর শরীরে এই মারণ ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

এদিন ট্যুইট করে  লকেট জানিয়েছেন, গত সাতদিন ধরে তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন । নরেন্দ্রপুরের  আবাসনে নিজের ফ্ল্যাটেই তিনি হোম কোয়ারান্টাইনে ছিলেন । এর মধ্যে দুবার তাঁর টেস্ট হয় , কিন্তু তৃতীয় বারের টেস্টে পজিটিভ রিপোর্ট আসে । এদিন সকাল দশটায় রিপোর্ট হাতে পান তিনি। এরপর আধঘণ্টার মধ্যেই তিনি বাইপাস-এর লাগোয়া একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যাডমিট হয়ে যান। সাংসদের চালকও আইসোলেশনে রয়েছেন।

 

বাংলার সাম্প্রতিক করোনায় নেতাদের আক্রান্ত হওযার পরিসংখ্য়ান বলছে, লকেটের আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক তমোনাশ ঘোষের। করোনা আক্রান্ত হন সুজিত বোসও। 

মুরলীধর সেন স্ট্রিটে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতাই জ্বরে কাবু। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাদের শরীরেও থাবা বসিয়েছে ভাইরাস ফিবার। প্রথম থেকেই তাই এই নিয়ে সতর্ক থাকছে গেরুয়া ব্রিগেড। দলের কোনও নেতার করোনা না হলেও কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না তারা। আপাতত অনেককেই হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার জন্য  বলেছে বিজেপির রাজ্য় নেতৃত্ব। 

বিজেপি নেতৃত্বের আশঙ্কা দলের রাজ্য় সদর দফতরে প্রতিদিন বহু নেতা নেতৃত্বের আনাগোনা। সেখানে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সতর্ক থাকা খুবই দুষ্কর হয়ে দাঁড়াচ্ছে। করোনা বিপদের আশঙ্কা থেকেই এখন পার্টির সদর দফতরেও যাতায়াত বন্ধ করেছেন বহু নেতা। জানা গিয়েছে, মূরলীধর সেন স্ট্রিটের কাছে পাওয়া গিয়েছে  করোনার সংক্রমণ। সম্প্রতি সংক্রমণের আশঙ্কায় বাড়িটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। যদিও করোনার আশঙ্কায় সতর্ক থাকছেন বিজেপির নেতারা।

এদিক জানা গিয়েছে, শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন আগামী ৬ জুলাই ফের ভার্চুয়াল জনসভা করেবে বিজেপি।  ওই দিনই রাজ্যজুড়ে দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামছে বিজেপি। ওই সভায়  সভাপতিত্ব  করবেন, বিজেপির সর্বভারতীয়  সভাপতি জেপি নাড্ডা।