মাসের শেষে ফের ঘূর্ণিঝড়়ের অশনি সংকেত। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। যারফলে আগামী এক থেকে দুই দিন দক্ষিণবঙ্গ সহ পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভাসতে পারে প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে। কারণ, আবহাওয়াবিদদের এখন নজর রয়েছে পূর্ব ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে। কারণ, ৩০ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে সাগরে একটি নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। যারপ্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে গোটা পূর্ব ভারতে।
25
সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের অনুকূল পরিবেশ
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের অনুকূল পরিবেশ। যার প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চ তাপমাত্রা আর বায়ুমণ্ডলের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই একটি নিম্মচাপ অঞ্চল গঠিত হতে পারে। আর এই নিম্নচাপ ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
35
ফের সাগরে দানা বাঁধছে ঘূর্ণিঝড়!
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, সাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিস্থিতি থাকলে পরবর্তীতে তা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় উত্তরপ্রদেশ সংলগ্ন এলাকার ঘূর্ণাবর্তটি বর্তমানে উত্তর ঝাড়খণ্ড এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে বায়ুর অনুকূল গতিপ্রকৃতি এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প প্রবেশের কারণে এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ৩১ মে অর্থাৎ রবিবার থেকে ৩ জুনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার বড়সড় উন্নতি হবে। মূলত শুকনো আবহাওয়া থাকবে, তবে কিছু কিছু জেলায় নামমাত্র হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে ২ ও ৩ জুন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে ফের হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
55
মৎস্যজীবীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা
ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে আগামী কয়েকদিন পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন সমুদ্রে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি (সর্বোচ্চ ৬০ কিমি) বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তাই এই কয়দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারণ, মৎস্যজীবী ও উপকূলবাসীদের জন্য আগামী কয়েকদিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.