বেলডাঙা ইস্যুতে এবার রাজ্যের শাসক শিবির তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন হুমায়ুন কবীর। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন-''বর্তমান যে সরকার তা কার্যত বিভিন্ন ক্ষেত্রে লক্ষ করছি দুর্নীতিতে ডুবে গিয়েছে সরকার। তাই বাংলাকে বাঁচানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে কিছুই পাননি। খেলা, মেলা, প্রলোভন, মন্দির, মসজিদ। মহাকালী মন্দিরের উদ্বোধন করেছেন মমতা, দুর্গাঙ্গন করেছেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের অবজ্ঞা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট নিয়েও অবজ্ঞা করছেন। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক মানিক ভট্টাচার্য এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জীবন কৃষ্ণ সাহা জেলে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী অনেকে সহায়তা দিয়ে জেলের বাইরে রেখেছেন। মুর্শিদাবাদ ইতিহাস ভোলা যায় না।''
25
তৃণমূলে যোগ ঐতিহাসিক ভুল
‘’২০ নভেম্বর ২০১২ আমার ঐতিহাসির ভুল হয়েছিল। মিথ্যাচারী মহিলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে। তখন ৬ জন সিকিউরিটি ছিল। ৬ মাস আগে। পরে ৩ জন ছিল। সবাইকে তুলে দেওয়া হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কেউ আমার কোনও কথা শোনেন-নি।''
35
বেলডাঙার ঘটনায় সরব হুমায়ুন
বেলডাঙার অশান্তি নিয়েও এদিন ফুঁসে ওঠেন হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, ‘’আমার কাছে ফোন এসেছিল। আমি তখন রানাঘাটে ছিলাম। আমি ফোন করেছিলাম। ধৈর্য্য ধরল না। ওনারা রোড ব্লক করল। আমার কথা শুনল না। মধ্যিখানে অধীর রঞ্জন চৌধুরী তিনি ঘোলা জলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। কিছুই পাননি। sp,ic আমাকে ফোন করেছিল সাহায্যের জন্য। আমি এখান থেকে যাব ওই জায়গায়।'' একই সঙ্গে তিনি আরও জানান, পুলিশ অসহায় হয়ে বসে আছে বেলডাঙায়। ‘’সাংবাদিকরা কি করে সুরক্ষা দেবে?? এতক্ষণ ধরে রোড ব্লক হোক আমি চাইনা। পাবলিক যদি হাতে আইন তুলে নেয় তাহলে আবার কি করার কি আছে? আমার কথায় বডি নিয়ে গেছে বাড়ির লোক। প্রশাসন কিছু করতে পারেনি।''
এই বিষয়ে তিনি বলেন,''হ্যাঁ...রাষ্ট্রপতি শাসনের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হোক বাংলার এটা বিজেপি চাইছে। যার জন্য শিয়ালদা তে যে ট্রেন আসছিল আমাদের ওখান থেকে, এই ট্রেনে থাকা সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর অত্যাচার চালিয়েছে বিজেপি।'' আমাদের রাজ্য সরকারের সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের রাজ্য সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে। ওখানে গিয়ে কেন জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে না কীভাবে এই পরিযায়ী শ্রমিক মারা গেল?''
55
মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, ওখানে দাঙ্গা করেছে হুমায়ূন ?
এই বিষয়ে পাল্টা তিনি বলেন, ‘’হুমায়ুন কবির এত পাওয়ার ফুল? ঘটনা কখন ঘটেছে SP, Ic, additional Ic তাঁদের কাছ থেকে খবর নিন। আমি যতটা চেয়েছি শান্তি বজায় রাখার। মুখ্যমন্ত্রী চাইলে তাঁদের পুলিশকে জিজ্ঞাসা করুন। কখনও মুখ্যমন্ত্রী আমার প্রশংসা করেন আবার কখনও পোকা-মাকড় বলেন বা গদ্দার বলেন। প্রমাণ পেলে মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন, আমার নামে এফ.আই.আর করতে। মুখ্যমন্ত্রী বলে, যা ইচ্ছা তাই বললেই তো হলো না।''