- Home
- World News
- United States
- ট্রাম্পের কথাতেই ৮০০ ফাঁসির সাজা রদ করেছে ইরান! তেহেরানকে ধন্যবাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের
ট্রাম্পের কথাতেই ৮০০ ফাঁসির সাজা রদ করেছে ইরান! তেহেরানকে ধন্যবাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের
Donald Trump On Iran: তার কথাতেই নাকি সঙ্ঘাত বন্ধ করেছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিতে শোরগোল বিশ্বজুড়ে। এমনকি ধন্যবাদও জানান ইরানকে। কী কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প? বিস্তারিত জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

ইরানকে ধন্যবাদ ট্রাম্পের
আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেও বিরল এক সমঝোতামূলক সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ইরানের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘’দেশজুড়ে কঠোর দমন-পীড়নের সময় আটক শত শত বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সিদ্ধান্ত থেকে তেহরান সরে এসেছে বলে জানানো হয়েছে।''
কী বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প?
ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে, ইরানের কর্তৃপক্ষ তাঁর দাবি অনুযায়ী আগের দিন নির্ধারিত ৮০০-রও বেশি ফাঁসির কার্যক্রম বাতিল করেছে বলে জানা গিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘’নির্ধারিত সব ফাঁসি—যার সংখ্যা ৮০০-রও বেশি—যেগুলি গতকাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে।'' ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি ইরানের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের বার্তা
শুক্রবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন যে-
#WATCH | On Iran, US President Donald Trump says, "Iran cancelled the hanging of over 800 people. They were going to hang over 800 people yesterday and I greatly respect the fact that they cancelled them"
(Video Source: US Network Pool via Reuters) pic.twitter.com/FMV19eim5E— ANI (@ANI) January 16, 2026
আর কী বলেছেন ট্রাম্প?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কমে আসছে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। এর জেরে চলতি সপ্তাহের শুরুতে সরাসরি মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা কিছুটা কমেছে বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি এখনও ভঙ্গুর ও অস্থির থাকায়, ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সম্পদ মোতায়েনের প্রস্তুতি অব্যাহত থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বার্তা
এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন যে, পর্দার আড়ালে ওয়াশিংটনের উপসাগরীয় মিত্ররা বৃহত্তর সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ায়। এক উপসাগরীয় আধিকারিকের দাবি, সৌদি আরব ও কাতার মার্কিন কর্তাদের সতর্ক করে জানিয়েছে যে ইরানে হামলা হলে গোটা অঞ্চলে গুরুতর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত আমেরিকার ওপরই ফিরে আসবে।

