এসআইআর নিয়ে এখন গোটা রাজ্যে হইচই। এরই মাঝে আবার নয়া বিতর্ক শুরু। এবার থেকে নাকি স্কুলে ভর্তি হতে গেলেই লাগবে নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র! জেনে নিন নয়া নিয়ম কবে থেকে চালু?
কিছুদিন আগে বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR কর্মসূচি নিয়ে ব্যাপক রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাংলায় গত ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে গেল SIR কর্মসূচি।
28
নিয়ম মেনে প্রতিটি ব্লকে BLO শুরু করে দিয়েছেন ফর্ম বিলির কাজ। এই নিয়েও একাধিক জায়গায় রাজনৈতিক বিভ্রাট শুরু হয়েছে। কোথাও শাসকদলের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বুথ লেভেল অফিসারদের তো কোথাও আবার বিজেপি BLA-দের ধরে মারধর করা হচ্ছে।
38
এমতাবস্থায় ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল নাগরিকত্বের প্রমাণ বিতর্ক। সাধারণত সকল বাবা মা-ই চায়, ছেলে মেয়েকে ভালো স্কুলে পড়াতে। বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, প্রাথমিকে ভর্তি হতে গেলে শুধুমাত্র শিশুদের জন্মের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন পড়ে। আর তাই দিয়ে শিশুদের ভর্তি করানো যায়।
সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে— আবেদনপত্র সংগ্রহ করার সময়ে শিশুর জন্মের শংসাপত্র এবং অভিভাবকদের যে কোনও একটি নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। আর তাতেই সেই নিয়ে শুরু হয়েছে হৈ হট্টগোল।
58
এইমুহুর্তে কৃষ্ণনগর হাইস্কুলে শুধুমাত্র শিশু বিভাগেই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু এই ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হল এই নয়া বিতর্ক। ভালো স্কুলের তালিকায় অন্যতম হল সরকার-পোষিত স্কুল কৃষ্ণনগর হাইস্কুল (প্রাথমিক বিভাগ)। সম্প্রতি কৃষ্ণনগর হাইস্কুল প্রাথমিক বিভাগের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে— আবেদনপত্র সংগ্রহ করার সময়ে শিশুর জন্মের শংসাপত্র এবং অভিভাবকদের যে কোনও একটি নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। আর তাতেই সেই নিয়ে শুরু হয়েছে হৈ হট্টগোল।
68
বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষুব্ধ অভিভাবক
কৃষ্ণনগর হাইস্কুল প্রাথমিক বিভাগের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ভোটার কার্ড, প্যানকার্ড, আধার কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স বাবা মায়ের থেকে গ্রহণ করা হবে শিশুর ভর্তির ক্ষেত্রে। শুধু তা-ই নয়, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়ে শিশুর জন্মের শংসাপত্রের ফোটোকপির পাশাপাশি বাবা অথবা মায়ের ওই চারটি নথির মধ্যের মধ্যে যে কোনও একটির ফোটোকপি প্রমাণপত্র হিসাবে জমা দিতে হবে।
78
যদি কোনও শিশুর অভিভাবক এই চারটির মধ্যে একটি নথিও দেখাতে না পারেন, তা হলে সেই শিশু ওই স্কুলে ভর্তি হতে পারবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের এই বিজ্ঞপ্তি দেখে ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে NRC চালু হয়নি। তার আগেই কী ভাবে একটি স্কুল পডুয়ার বাবা-মার নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইতে পারে?
88
কী বলছেন সংসদের চেয়ারম্যান?
স্কুলের ভর্তির বিষয়টি সামনে আসায় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে গোটা শিক্ষা মহল। জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, “এমনটা কোনও ভাবেই করা যায় না। একজন পড়ুয়াকে ভর্তি করতে শুধু তার জন্মের শংসাপত্রের প্রয়োজন। সেই শংসাপত্রে তার বাবা-মার নাম ও ঠিকানা লেখাই থাকে। তার পরেও কী ভাবে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়া হল, বুঝতে পারছি না। ভাল করে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এদিকে চাপের মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করল কৃষ্ণনগর হাইস্কুল প্রাথমিক বিভাগ।
West Bengal news today (পশ্চিমবঙ্গের লাইভ খবর) - Read Latest west bengal News (বাংলায় পশ্চিমবঙ্গের খবর) headlines, LIVE Updates at Asianet News Bangla.