'সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে,' শুভেন্দুর সভার আগে শাসক দলকে তোপ বিজেপি-র

Published : Jan 01, 2026, 10:35 PM IST
suvendu adhikari

সংক্ষিপ্ত

Suvendu Adhikari: শুক্রবার মালদার চাঁচলে জনসভা করতে যাচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই সভা ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। প্রশাসন অনুমতি দিতে চাইছিল না। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অনুমতিতে সভা হচ্ছে।

DID YOU KNOW ?
কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি
মালদার চাঁচলে শুভেন্দু অধিকারীর সভার অনুমতি দিতে চাইছিল না প্রশাসন। তবে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অনুমতি পেয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

BJP West Bengal: 'সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি করছে। কিন্তু বাস্তবে তাদের জন্য কোনও কাজ করেনি।' শুক্রবার মালদার (Malda) চাঁচল (Chanchal) সদরের কলম বাগানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সভার আগে ঠিক এই ভাষাতেই শাসক দলকে আক্রমণ করল বিজেপি। রাত পোহালেই চাঁচল সদরের কলমবাগানে সভা করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেই সভার আগে বৃহস্পতিবার বিজেপি-র উত্তর মালদা জেলা সভাপতি প্রতাপ সিংহ, সাধারণ সম্পাদক অভিষেক সিঙ্ঘানিয়া ও সহ-সভাপতি অভিষেক মিশ্র সভাস্থল পরিদর্শন করেন। সভায় প্রায় নয় হাজার মানুষের জমায়েতের পরিকল্পনা রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনও সভার স্থান ও যান চলাচলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে। এই সভায় যাতে কোনওরকম বিপত্তি না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

শাসক দলকে তোপ বিজেপি-র

বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই সভা তাঁদের জন্য একটি বড় সুযোগ। কারণ, এই অঞ্চল সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। বিজেপি-র দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) সংখ্যালঘুদের শুধু ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং তাদের জন্য বাস্তবে কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেনি। প্রতাপ সিংহ বলেন, 'যদি তৃণমূল কাজ করত, তাহলে এই অঞ্চলের মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে পড়ত না।' তবে তৃণমূল কংগ্রেস এই সব অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে। মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতি রফিকুল হোসেন তাদের সংখ্যালঘু স্বার্থের প্রতি বিজেপি-র দরদকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, 'কেবল বক্তব্য দিয়ে কিছু হয় না, কাজ করে দেখাতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস একটি ধর্মনিরপেক্ষ দল। আমরা উন্নয়নে বিশ্বাসী।'

শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দুর সবার অনুমতি

চাঁচলে শুভেন্দুর সভার অনুমতি দিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) বলেছে, দুপুর একটা থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত মোট দুই ঘণ্টা সভা করা যাবে। সভায় নয় হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। এছাড়াও ৭০টির বেশি লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনকেই নিতে হবে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
১০৪
সভা-মিছিলের জন্য ১০৪ বার হাইকোর্টে যেতে হয়েছে শুভেন্দুকে!
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, ২০২১ সালের পর থেকে সভা-মিছিলের অনুমতি নেওয়ার জন্য ১০৪ বার আদালতে যেতে হয়েছে।
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Nadia News: বিচার এখনও অধরা, তার মাঝেই এইরকম হয়ে গেল! পুলিশের বিরুদ্ধেই ভয়ানক অভিযোগ তামান্নার মায়ের
Priyanka Tibrewal: ‘তৃণমূলের পাপ্পু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়!’ SIR ইস্যুতে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের খোঁচা