Malda District News: বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly elections) আগে মালদা জেলায় শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। বৃহস্পতিবার দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানেও সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখা গেল।

DID YOU
KNOW
?
অস্বস্তিতে শাসক দল
বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে শাসক দল।

AITC Foundation Day 2026: দলের প্রতিষ্ঠা দিবসেও খোদ মন্ত্রীর গড়ে প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রীর উদ্যোগে যে কর্মসূচি, সেখানে ডাক পেলেন না জেলা পরিষদ সদস্য-সহ অঞ্চলের একাধিক দাপুটে নেতা। সেই নেতা আবার পার্শ্ববর্তী বিধানসভা অঞ্চলে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচিতে গিয়ে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে নাম না করে তীব্র আক্রমণ করলেন মন্ত্রীকে। দুর্নীতি-স্বজনপোষণ থেকে শুরু করে চাকরি চুরি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন শাসক দলের নেতা। ঘটনা সামনে আসতেই কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি (BJP)। শুক্রবার মালদার (Malda District) চাঁচলে সভা করতে যাচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার আগের দিন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে শাসক দল।

মন্ত্রী ও নেতার দ্বন্দ্ব

মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের মুষল পর্ব অব্যাহত। ২০২৫ সালে সারা বছর ধরেই হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা অঞ্চলে বিধায়ক তথা মন্ত্রী তাজমুল হোসেনের সঙ্গে দাপুটে জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খানের দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ নিয়ে দলের অন্দরেই তাজমুলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বেড়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly elections) প্রাক্কালে বছরের শুরুতে সেই ছবি যে পাল্টাচ্ছে না সেটা বছরের প্রথম দিনেই স্পষ্ট হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভায় প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে তাজমুল হোসেনের উদ্যোগে কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয়ে সভা হয়। কিন্তু সেখানে ডাক পাননি জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খান, পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা স্বপন আলি-সহ বুলবুল ঘনিষ্ঠরা। তাঁরা পার্শ্ববর্তী চাঁচল বিধানসভা অঞ্চলে ব্লক সভানেত্রী মর্জিনা খাতুনের আমন্ত্রণে প্রতিষ্ঠা দিবসের অন্য এক কর্মসূচিতে যোগ দেন। সেখানে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে স্বপন আলি অভিযোগ করেন, 'দলকে কেউ কেউ পৈতৃক সম্পত্তি মনে করছে। যোগ্যদের জায়গা না দিয়ে যারা নেতার বাড়ির বাজার করে দেয়, ছবি পোস্ট করে, তাদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে।' অন্যদিকে বুলবুল নাম না করে মন্ত্রীকে নিশানা করে অভিযোগ করেন, 'হরিশ্চন্দ্রপুরে সরকারি চাকরি শুধুমাত্র একটি গ্রামেই হয়েছে। কোনও হিন্দুর চাকরি হয়নি।' 'দল যাতে সঠিক ব্যক্তিকে বিধানসভায় টিকিট দেয়। যোগ্যরা জায়গা পাচ্ছে না' বলে অভিযোগ করছেন পার্শ্ববর্তী বিধানসভার ব্লক সভানেত্রী মর্জিনাও।

অস্বস্তিতে শাসক দল

একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসার পর অস্বস্তি বাড়ছে শাসক শিবিরে। যদিও এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি মন্ত্রী। 'তৃণমূল কংগ্রেসে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন নয়। ভোটের আগে ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে,' কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।