কলকাতা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দিনের তাপমাত্রাকেও গুণে গুণে গোল দিয়েছিল পুরুলিয়াকে। গত কয়েক দিন দিনের তাপমাত্রা ছিল পুরুলিয়ার থেকেও কম। কিন্তু আবহাওয়ার রেকর্ড তৈরিতে পিছিয়ে থাকতে নারাজ পুরুলিয়া।
এবার সম্পূর্ণ অন্যরকম আবহাওয়ার সাক্ষী থাকল গোটা বঙ্গ। কলকাতা ২৫ ডিসেম্বর সাক্ষী থাকলে ৩০ বছরের রেকর্ড ভাঙা শীতের। আর জানুয়ারিতে রেকর্ড হল সবথেকে কম মাত্র ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এখানেই শেষ নয় কলকাতা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দিনের তাপমাত্রাকেও গুণে গুণে গোল দিয়েছিল পুরুলিয়াকে। গত কয়েক দিন দিনের তাপমাত্রা ছিল পুরুলিয়ার থেকেও কম। কিন্তু আবহাওয়ার রেকর্ড তৈরিতে পিছিয়ে থাকতে নারাজ পুরুলিয়া।
25
পুরুলিয়ায় তুষারপাত
দার্জিলিং, কার্সিয়াং, কালিম্পং-এর শীতের মরশুমে মাঝেমধ্যেই তুষারপাত হয়। কিন্তু এবার তুষার পড়ল পুরুলিয়ায়। রবিবার সকালে বরফ দেখা যায় ঝালদায়। দিন দুই আগে বান্দোয়ান, বেগুনকোদর এলাকার কিছু স্থানে সকালেই বরফ দেখা যায়। যা দেখে উৎসাহী স্থানীয়রা। শীতের মরশুমে পর্যটকদের ভিড়ও থাকে এই এলাকায়। তারাও উৎসাহী হয়ে পড়েন।
35
রাস্তায় বরফ
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঝালদা থেকে খামার যাওয়ার রাস্তার ধাারে খজ়ের গাদার ওপর হালকা বরফের আস্তরণ দেখা যায়। তা দেখতে পান প্রাতঃভ্রমণকারীরা। ধীরে ধীরে তা দেখতে অনেকেই ভিড় জমায়।
পুরুলিয়ায় এমনিতেই শীতের মরশুমে প্রবল ঠান্ডা পড়ে। তবে এর আগে ২০১৯ সালেও এমন বরফ দেখেছিল পুরুলিয়া। এবার তাপমাত্রার পারদ আরও নিম্নগামী। গত কয়েক দিন ধরেই পুরুলিয়া তাপমাত্রা নিম্নগামী। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫-৬ ডিগ্রি ও তাঁর আশেপাশে থাকছে। আর প্রত্যন্ত এলাকার তাপমাত্রা আরও কিছুটা নিম্নগামী। পুরুলিয়ার বান্দোয়ান, ঝালদা পাথুরে এলাকা হওয়ায় রাতের বেলার তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়। তার কারণেই শিশির বরফে পরিণত হচ্ছে।
55
পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের দাপট
২০২৫ সালের শেষ থেকেই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকেই শীতের দাপট বেড়েছে। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি রীতিমত টেক্কা দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিকে। যার কারণেই এজাতীয় ঘটনা ঘটছে।